📌 ঢাকার যাত্রাবাড়ীর দনিয়া-দোলাইরপাড় এলাকায় অবস্থিত একটি ছয়তলা ভবনের ছাদে গড়ে উঠেছে সবুজের স্বর্গরাজ্য। দম্পতি জহিরুল ইসলাম কবির ও ডালিয়া কবিরের উদ্যোগে নির্মিত এই ছাদবাগানে রয়েছে ড্রাগন ফল, লতানো সবজি, ফুল ও ফলের গাছের সমাহার
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর দনিয়া-দোলাইরপাড় রোডে অবস্থিত ছয়তলা ভবনের ছাদে গড়ে উঠেছে এক অনন্য সবুজের রাজ্য। নিজেদের উদ্যোগে নির্মিত এই ছাদবাগানটি পরিণত হয়েছে প্রকৃতির এক অপূর্ব উপহারে। দম্পতি জহিরুল ইসলাম কবির ও ডালিয়া কবিরের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই উদ্যানে রয়েছে ড্রাগন ফলের রাজ্য থেকে শুরু করে লতানো সবজি, ফুল ও ফলের বৈচিত্র্যময় সমাহার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যাত্রাবাড়ীর দনিয়া-দোলাইরপাড় এলাকায় অবস্থিত ‘আওয়ার গ্রিন ভ্যালি’ নামের ছয়তলা ভবনের ছাদে গড়ে উঠেছে সবুজের স্বর্গরাজ্য
- 📌 দম্পতি জহিরুল ইসলাম কবির ও ডালিয়া কবিরের উদ্যোগে নির্মিত এই ছাদবাগানে রয়েছে ১১ থেকে ১২ রকমের লতানো সবজি
- 📌 ছাদবাগানে রয়েছে প্রায় ১২ রকমের আম, পেঁপে, মিষ্টি তেঁতুল, মালবেরি, জামরুলসহ বিভিন্ন ফল গাছ
- 📌 প্রায় ২০০ রকমের ফুলের সমাহার রয়েছে এই উদ্যানে, যার মধ্যে রয়েছে কাঠগোলাপ, রেইনলিলি, ব্যাটলিলি, নাইট কুইন, হাসনাহেনা প্রমুখ
- 📌 ড্রাগন ফলের জন্য আলাদা করে নির্মিত হয়েছে মাচা, যেখানে রয়েছে প্রায় ১৫০টি ড্রাগন ফলের চারাগাছ
- 📌 পানির ট্যাংকের ছাদে নির্মিত হয়েছে ড্রাগন ফলের সাম্রাজ্য, যেখানে রয়েছে ৪ ফুট উচ্চতা, ২০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থের মাচা
📰 বিস্তারিত
ঢাকার যাত্রাবাড়ীর দনিয়া-দোলাইরপাড় এলাকায় অবস্থিত একটি ছয়তলা ভবনের ছাদে গড়ে উঠেছে প্রকৃতির এক অপূর্ব উপহার। নিজেদের উদ্যোগে নির্মিত এই ছাদবাগানটির নাম ‘আওয়ার গ্রিন ভ্যালি’। দম্পতি জহিরুল ইসলাম কবির ও ডালিয়া কবিরের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই উদ্যানটি পরিণত হয়েছে সবুজের এক স্বর্গরাজ্যে। ভবনের ছাদ থেকে শুরু করে পানির ট্যাংকের ছাদ পর্যন্ত বিস্তৃত এই উদ্যানে রয়েছে ড্রাগন ফলের রাজ্য থেকে শুরু করে লতানো সবজি, ফুল ও ফলের বৈচিত্র্যময় সমাহার।
ছাদের মাঝখানটা নিজেদের ব্যবহারের জন্য রেখে চারপাশ ঘিরে গড়ে তোলা হয়েছে লম্বাটে স্থায়ী সবজির বেড। সেই বেড থেকে লতানো সবজির জন্য সিঁড়িঘরের ছাদ পর্যন্ত উঠে গেছে মাচা। সেই মাচা থেকেই ঝুলে থাকে ধুন্দুল, চিচিঙ্গা, উচ্ছে, করলা, শসা, চালকুমড়া, আঙুর, প্যাশন ফ্রুটসহ বিভিন্ন লতানো সবজি। শীতে যোগ হয় লাউ, মিষ্টিকুমড়া, বরবটির মতো লতানো সবজি। একেক মৌসুমে একেক সবজি চাষ করা হয় এখানে।
ফল ও ফুলের সমাহার হিসেবে বেডে সবজির পাশাপাশি রয়েছে অনেক রকমের ফলফলারির গাছ। আম্রপালি, সূর্য ডিম, আমেরিকান রেড পালমার, বারি ফোর, ব্ল্যাক স্টোনসহ প্রায় ১২ রকমের আম, পেঁপে, মিষ্টি তেঁতুল, মালবেরি, জামরুল, আপেল, কমলা, করমচা, গোলাপজাম, লুকলুকি, পারসিমন, আলুবোখারা, বরই, আনারসসহ বিভিন্ন ফল গাছের উপস্থিতি রয়েছে এখানে।
কাঠগোলাপ থেকে শুরু করে রেইনলিলি, ক্রিনাম লিলি, ব্যাটলিলি, নাইট কুইন, হাসনাহেনা, বাগানবিলাস, কাঁটামুকুট, করবী, চন্দ্রপ্রভা, কদম, শাপলা, পদ্মসহ প্রায় ২০০ রকমের ফুল রয়েছে এই উদ্যানে। ড্রাগনের সাম্রাজ্য মূল ছাদ থেকে লোহার সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতেই চোখে পড়ে নিচের মতোই বেডে বসানো ফুল ও ফলের গাছ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহিরুল ইসলাম কবির, ডালিয়া কবির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (তলা), ১১ থেকে ১২ (রকমের লতানো সবজি), ১২ (রকমের আম), ২০০ (রকমের ফুল), ৪ (ফুট উচ্চতা), ২০ (ফুট দৈর্ঘ্য), ১০ (ফুট প্রস্থ), ১৫০ (টি ড্রাগন ফলের চারাগাছ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!