📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এস আলম-পি কে হালদারসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে আরও তিনজনের

এস আলম-পি কে হালদারসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে আরও তিনজনের

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৪ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে চলমান মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আরও তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ নিয়ে মোট ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে

জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৩৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম এবং প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আরও তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুনের আদালতে রোববার এই সাক্ষ্য প্রদান করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মামলায় মোট আসামি: ১৩ জন
  • 📌 আরও তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন, এ নিয়ে মোট সাক্ষী: ১৫ জনের মধ্যে ১৪ জন
  • 📌 অভিযোগ: ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন ও স্থানান্তর
  • 📌 বিচারক: মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন
  • 📌 আগামী ৭ সেপ্টেম্বর অবশিষ্ট দুই সাক্ষীর জেরা অনুষ্ঠিত হবে

📰 বিস্তারিত

মামলাটি দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হকের দায়ের করা। অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় গত বছরের ১৬ অক্টোবর। এরপর চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। গত ২২ জুন পাঁচজন, ৮ জুলাই চারজন, ১৯ জুলাই একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছিল।

আজ সাক্ষ্য দেওয়া তিনজন হলেন আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেডের এমডি ও সিইও মোহাম্মদ মোদাচ্ছের হাসান, আরজেএসসির সহকারী নিবন্ধক অনন্ত কুমার পাল এবং আভিভা ফাইন্যান্সের ডিপোজিট অপারেশনসের এভিপি ও হেড অব সিআরএম মিদহাত আজিজ। আদালত সূত্রে জানা যায়, মিদহাত আজিজের জেরা শেষ হয়েছে। তবে অপর দুই সাক্ষীর জেরা সম্পন্ন হয়নি।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস। এছাড়া রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না, মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক এমডি জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক ও মো. আবদুল্লাহ আল মামুন।

"জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার মেয়াদি ঋণ অনুমোদন এবং পরে তা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তরের অভিযোগ আনা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম), প্রশান্ত কুমার হালদার, বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ (আসামি), ৩৪ কোটি টাকা (ঋণের পরিমাণ), ১৫ (মোট সাক্ষী), ১৪ (সাক্ষ্য প্রদানকারী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖