📌 রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় আসামিদের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে ৮০ ঘণ্টায় ৮০ বার ফোনালাপ হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ডোপ টেস্টেও মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি, যা তদন্তে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে
রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় আসামিদের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে ৮০ ঘণ্টায় ৮০ বার মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। প্রতি ঘণ্টায় গড়ে একবার যোগাযোগের এই ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় আসামিদের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে ৮০ ঘণ্টায় ৮০ বার ফোনালাপ হয়েছে
- 📌 আসামিরা আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে হত্যার আগে ও পরে ৮-৯টি ইয়াবা সেবনের কথা জানিয়েছিল
- 📌 ডোপ টেস্টে আসামিদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি
- 📌 আসামিদের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে: মুগ্ধের বাবা কানু দাস সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাসের ফুফাতো ভাই
- 📌 হত্যাকাণ্ডের পর আসামিদের দুই দিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত
📰 বিস্তারিত
রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, গ্রেফতার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে ৮০ ঘণ্টায় ৮০ বার মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে। প্রতি ঘণ্টায় গড়ে একবার যোগাযোগের এই ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
তবে ডোপ টেস্টের ফলাফল এই তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গত রোববার রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে দুই আসামির প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়, যাতে মাদকের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। অথচ আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিতে আসামিরা হত্যার আগে ও পরে ৮-৯টি ইয়াবা সেবনের কথা জানিয়েছিল।
রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রস্রাবে সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিন মাদকের উপস্থিতি শনাক্তযোগ্য থাকে। যেহেতু আসামিরা সাত দিনের বেশি সময় ধরে আটক অবস্থায় আছে, বিধায় এই টেস্টটি নেগেটিভ এসেছে।’
ঘটনার অন্য দিকে, আদালত আসামিদের দুই দিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন। ইতোমধ্যে মামলার তদন্তভার ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ডিবি পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্কও আলোচনায় এসেছে। মুগ্ধের বাবা কানু দাস সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাসের ফুফাতো ভাই হওয়ায় তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই।
‘প্রস্রাবে সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিন থাকে। এর পরে আর পাওয়া যায় না।’ — অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ার হোসেন, অধ্যক্ষ, রংপুর মেডিকেল কলেজ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর মহানগরী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, গণপতি চক্রবর্তী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (খুন), ৮০ (ঘণ্টায় ফোনালাপ), ৮০ (বার ফোনালাপ), ১৬৪ (ধারা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!