📌 রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মিশুক চালক মোখলেছার রহমানকে হত্যার পর তাঁর পরিবার জমি বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। হত্যার ছয় দিনেও পুলিশ কোনো আসামি গ্রেপ্তার করতে পারেনি
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মিশুক চালক মোখলেছার রহমানকে হত্যার পর তাঁর পরিবার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। হত্যার ছয় দিনেও পুলিশ কোনো আসামি গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গঙ্গাচড়ার মিশুক চালক মোখলেছার রহমানকে হত্যার পর তাঁর পরিবার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।
- 📌 হত্যার ছয় দিনেও পুলিশ কোনো আসামি গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
- 📌 মোখলেছারের ছেলে জানান, হত্যার আগে তিনি তাঁকে শত্রু সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন।
- 📌 পরিবারের অভিযোগ, জমি বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ তাঁকে হত্যা করেছে।
- 📌 প্রতিপক্ষের চারজন ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন পরিবার।
📰 বিস্তারিত
রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার শান্তিপাড়া এলাকায় গত ২৮ আগস্ট দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মিশুক চালক মোখলেছার রহমানের গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর ছেলে মিজানুর রহমান জানান, হত্যার আগে তাঁর বাবা তাঁকে বলেছিলেন, ‘দেখেশুনে চলাফেরা করিও, আমাদের ডানে-বাঁয়ে অনেক শত্রু আছে।’ তাঁর ছেলে আরও জানান, হত্যার ছয় দিনেও পুলিশ তাঁর বাবার মিশুকটি উদ্ধার করতে পারেনি।
মোখলেছারের পরিবারের অভিযোগ, গঙ্গাচড়ার নবনীদাস গ্রামের প্রতিবেশী জাদু মিয়া, সেকেন্দার, মারজান ও সাদেকুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সম্প্রতি একটি মামলায় মোখলেছারের পক্ষে রায় হওয়ায় প্রতিপক্ষ ক্ষুব্ধ ছিল। তাঁরা তাঁকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন বলে পরিবারের অভিযোগ।
মোখলেছারের স্ত্রী মোসলেমা বেগম জানান, তাঁর স্বামীকে হত্যার পর পরিবারের সদস্যদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। তাঁদের সংসারে নয়জন সদস্য রয়েছেন। মোখলেছার চারটি এনজিও থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের আয় বন্ধ হয়ে গেছে।
‘প্রতিপক্ষের লোকজন আমার স্বামীকে খুন করেছেন। এখন পরিবারের অন্য কাউকে যে হত্যা করা হবে না, সেই নিশ্চয়তা কে দেবে?’ — মোসলেমা বেগম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গঙ্গাচড়া, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোখলেছার রহমান (৫৮)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ দিন, ২৬ শতাংশ জমি, ৩ লাখ টাকা ঋণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!