📌 মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি আগামী রোববার (১৬ আগস্ট) হাইকোর্টে অনুষ্ঠিত হবে। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি আগামীকাল রোববার (১৬ আগস্ট) হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উঠছে। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাটি ২২ নম্বর ক্রমিকে তালিকাভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মামলাটি রোববার (১৬ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে ২২ নম্বর ক্রমিকে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত
- 📌 আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুন রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
- 📌 হত্যার পর আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যান, পরে গ্রেপ্তার হন
- 📌 আসামি স্বপ্না খাতুনকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হয়
- 📌 ট্রাইব্যুনাল রায়ে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি আগামীকাল রোববার (১৬ আগস্ট) হাইকোর্টে অনুষ্ঠিত হবে। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাটি ২২ নম্বর ক্রমিকে তালিকাভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ১৯ মে মিরপুরের পল্লবীতে নিজ বাসায় ধর্ষণের শিকার হন রামিসা। পরে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে আসামি স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। আর নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। গত ২১ মে সেই মামলায় সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। গত ২৫ মে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান।
গত ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষ্য দেন। ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
"রামিসার হত্যাকাণ্ডে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে আপিল ও ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাইকোর্ট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহেল রানা, স্বপ্না খাতুন, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী, বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ (ক্রমিক নম্বর), ১৬ (সাক্ষীর সংখ্যা), ৫ লাখ টাকা (সোহেল রানার জরিমানা), ২ লাখ টাকা (স্বপ্না খাতুনের জরিমানা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!