📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চার শিশুর জন্ম দিয়েছেন রাজশাহীর চা-দোকানি স্ত্রী, স্বামীর সংসার চলছে এক দোকানের আয়েই

চার শিশুর জন্ম দিয়েছেন রাজশাহীর চা-দোকানি স্ত্রী, স্বামীর সংসার চলছে এক দোকানের আয়েই

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দেওয়া তিশা খাতুন ও তাঁর স্বামী নাইমুল ইসলামের সংসার এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। নির্ধারিত সময়ের আগে জন্ম নেওয়ায় শিশুদের ওজন কম হওয়ায় তাদেরকে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছিল

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দেওয়া তিশা খাতুন ও তাঁর স্বামী নাইমুল ইসলাম এখন সংসারের চরম সংকটে রয়েছেন। গত ১৭ আগস্ট রাতে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চার শিশুর জন্ম হয়। নবজাতকদের মধ্যে দুটি ছেলে ও দুটি মেয়ে রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৭ আগস্ট রাতে চার সন্তানের জন্ম দেওয়া তিশা খাতুন ও স্বামী নাইমুল ইসলাম
  • 📌 চার শিশুর মধ্যে দুটি ছেলে ও দুটি মেয়ে রয়েছে
  • 📌 নির্ধারিত সময়ের আগে অর্থাৎ ৩৪ সপ্তাহে জন্ম হওয়ায় শিশুদের ওজন কম হয়েছে
  • 📌 চার শিশুর মধ্যে দুজনের ওজন ১ কেজি, একটির ১ কেজি ১০০ গ্রাম ও আরেকটির ১ কেজি ৩০০ গ্রাম
  • 📌 চিকিৎসকেরা জানান, দেড় থেকে দুই কেজি ওজন হলে তা স্বাভাবিক ধরা হয়

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী নগরের সিপাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা তিশা খাতুনের স্বামী নাইমুল ইসলাম রাজশাহী নগরের কোর্ট স্টেশন এলাকায় একটি চায়ের দোকান পরিচালনা করেন। তাঁর এই দোকানই তাঁর পরিবারের একমাত্র আয় উৎস। চার সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর তাঁদের পরিবারের অবস্থা এখন অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।

চিকিৎসকেরা জানান, সাধারণত শিশুর জন্ম ৩৮ থেকে ৪০ সপ্তাহে হয়ে থাকে। কিন্তু তিশা খাতুনের চার শিশুই জন্ম নিয়েছে মাত্র ৩৪ সপ্তাহে। নির্ধারিত সময়ের আগে জন্ম হওয়ায় শিশুদের ওজন কম হওয়ায় তাদেরকে হাসপাতালের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের স্ক্যানু ইউনিটে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। ২৪ আগস্ট তাদেরকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

১৯ আগস্ট থেকে চিকিৎসকেরা শিশুদের মুখে অল্প পরিমাণ খাবার দেওয়া শুরু করেন। তবে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরও পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় নাইমুল ইসলাম চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তিনি জানান, তাঁর স্ত্রীর বয়স ২১ বছর ৭ মাস হওয়া সত্ত্বেও স্থানীয় ওয়ার্ড কার্যালয় থেকে কোনো সহায়তা পাওয়া যায়নি। তাঁর স্ত্রীকে সহায়তার জন্য তিনি পবা উপজেলায় গিয়েছিলেন, কিন্তু সেখানেও কোনো সুফল মেলেনি।

"একটা চায়ের দোকানের ওপরে আমার সংসার চলে। চারটি বাচ্চা নিয়ে এখন আমার হিমশিম অবস্থা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তিশা খাতুন, নাইমুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (সন্তান), ৩৪ (সপ্তাহ), ২৭ (ওয়ার্ড), ২৪ আগস্ট (ছাড়পত্র), ১ কেজি (দুটি শিশুর ওজন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖