📌 পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংস বহনের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে নৌপুলিশ। অভিযান চালিয়ে ট্রলার থেকে বিপুল পরিমাণ মাংস উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংস অবৈধভাবে বহনের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে নৌপুলিশ। সোমবার বিকেলে ভরতকাঠি বেলুয়ানদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলার থেকে বিপুল পরিমাণ মাংস উদ্ধার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার
- 📌 গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির নাম: খলিল (৪১) ও বাবুল ফরাজি (৪২)
- 📌 অভিযান চালায় দৈহারী নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা
- 📌 স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে হরিণের মাংস পরিবহনের অভিযোগ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ভরতকাঠি বেলুয়ানদী এলাকায় সোমবার বিকেলে দৈহারী নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নিয়াজ মোর্শেদের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় একটি কাঠবডির ট্রলার থেকে প্রায় ২২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। পরে মাংস বহনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে খলিল ও বাবুল ফরাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বরগুনার পাথরঘাটা এলাকা থেকে বিভিন্ন নৌপথে অবৈধভাবে হরিণের মাংস নেছারাবাদে নিয়ে আসার অভিযোগ রয়েছে। কাঠবোঝাই ট্রলার, গোলপাতাবোঝাই ট্রলার এমনকি মাছ ধরার ট্রলারেও এসব মাংস পরিবহন করা হতো। পরে নেছারাবাদের বিভিন্ন স্থানে থাকা চোরাকারবারিদের কাছে এসব মাংস পৌঁছে দেওয়া হতো।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে হরিণের মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা আটক হলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এই অবৈধ বাণিজ্য। চোরাই পথে আনা এসব মাংসের একটি অংশ দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করায় পচে যায়। আবার কখনো হরিণের মাংসের সঙ্গে শিয়ালের মাংস মিশিয়েও গোপনে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
"খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ২২০ কেজি হরিণের মাংসসহ দুজনকে আটক করে। এ ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং মঙ্গলবার তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খলিল (৪১), বাবুল ফরাজি (৪২)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২০ কেজি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!