📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেত্রকোনায় গর্ভপাত গোপনের অভিযোগে সিভিল সার্জনের অসহায়ত্ব: তিন মাসেও তদন্ত হয়নি

নেত্রকোনায় গর্ভপাত গোপনের অভিযোগে সিভিল সার্জনের অসহায়ত্ব: তিন মাসেও তদন্ত হয়নি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় গর্ভপাত হলেও মেডিকেল রিপোর্টে তা গোপন করে ‘পায়ে ঘষা’ উল্লেখ করা হয়েছে। তিন মাসেও তদন্ত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী ও স্বজনরা। সিভিল সার্জন পর্যন্ত বিষয়টি ভুলে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় গর্ভপাত হলেও মেডিকেল রিপোর্টে তা গোপন করে ‘পায়ে ঘষা’ উল্লেখ করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগপত্রে তিন চিকিৎসকের স্বাক্ষর জাল করারও অভিযোগ রয়েছে। গত তিন মাসেও এ বিষয়ে কোনো তদন্ত শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ও তাঁর স্বজনরা। এমনকি জেলা সিভিল সার্জন পর্যন্ত বিষয়টি ভুলে গেছেন বলে জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় গর্ভপাত হলেও মেডিকেল রিপোর্টে তা গোপন করে ‘পায়ে ঘষা’ উল্লেখ করা হয়েছে
  • 📌 অভিযোগে তিন চিকিৎসকের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 গত ২৯ জুলাই অভিযোগ দেওয়া হলেও তিন মাসেও তদন্ত শুরু হয়নি
  • 📌 সিভিল সার্জন গোলাম মাওলা বিষয়টি ভুলে গেছেন বলে জানিয়েছেন
  • 📌 অভিযুক্ত ব্যক্তি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছেন

📰 বিস্তারিত

মোহনগঞ্জ উপজেলার সুয়াইর গ্রামের সালমান শাহর অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী আশা আক্তারকে (২২) প্রতিবেশী ফেরদৌস মিয়া গত ৩ জুন মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁর তলপেটে লাথি মারলে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে তাঁকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে ভর্তি ও আলট্রাসনোগ্রাফি করার পরামর্শ দেন। অভিযোগে বলা হয়, একই দিন একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করা আলট্রাসনোগ্রাফিতে তিন মাসের গর্ভধারণ ও জীবিত ভ্রূণের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তবে পরদিন অপর একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিবেদনে ‘নরমাল স্টাডি’ উল্লেখ করা হয়। এতে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে দাবি করেন সালমান শাহ।

এ ঘটনায় ফেরদৌস মিয়ার বিরুদ্ধে মোহনগঞ্জ থানায় মামলা হলে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে ৫ জুন আশা আক্তারকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সালমান শাহর অভিযোগ, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জয় পাল মেডিকেল রিপোর্ট চেয়ে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবেদন করেন। ২৮ জুন রিপোর্ট দেওয়ার কথা থাকলেও এর এক দিন আগে, ২৭ জুন একটি রিপোর্ট আদালতে পাঠানো হয়। পরে তদন্ত কর্মকর্তাকেও ওই রিপোর্টের একটি কপি দেওয়া হয়।

সালমান শাহ বলেন, ওই রিপোর্টে আঘাতজনিত গর্ভপাত বা আলট্রাসনোগ্রাফির কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। বরং শুধু ‘পায়ে ঘষা’ লাগার কথা লেখা হয়। ওই রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার পর অভিযুক্ত ফেরদৌস মিয়া জামিন পান। সালমান শাহ আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে জানালে গত ২ জুলাই নতুন করে একটি মেডিকেল রিপোর্ট দেওয়া হয়। তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আগের রিপোর্টটি ভুয়া ও তাতে থাকা চিকিৎসকদের স্বাক্ষর জাল বলে জানায়।

"স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসহায় মানুষ ভরসা নিয়ে যায়। অথচ সেখান থেকে জাল মেডিকেল রিপোর্ট দিয়ে আমার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতনের কাছে বিচার দিলাম। বিচারের আশায় বসে আছি, অথচ তিনি নাকি অভিযোগের বিষয় ভুলে গেছেন। মার খেলাম, পেটের সন্তান নষ্ট হলো, এখন বিচারও পাচ্ছি না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালমান শাহ, আশা আক্তার, ফেরদৌস মিয়া, গোলাম মাওলা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ মাস, ২৯ জুলাই, ১ আগস্ট, ২৭ জুন, ২৮ জুন, ২ জুলাই

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖