📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেত্রকোনায় জাল নামজারি কাগজ তৈরিতে কম্পিউটার দোকানির ১০ দিন কারাদণ্ড

নেত্রকোনায় জাল নামজারি কাগজ তৈরিতে কম্পিউটার দোকানির ১০ দিন কারাদণ্ড

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ভুয়া জমির নামজারি ও ডিসিআর রসিদ তৈরির অভিযোগে কম্পিউটার দোকানি ওয়াদুদ মিয়াকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১০ দিন কারাদণ্ড দিয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, মূল জালিয়াতির অভিযোগ পরিবর্তন করে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দণ্ড দেওয়া হয়েছে

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় ভুয়া জমির নামজারি কাগজ ও ডিসিআর রসিদ তৈরির অভিযোগে কম্পিউটার দোকানি ওয়াদুদ মিয়া ওরফে বাবুকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, মূল জালিয়াতির অভিযোগ পরিবর্তন করে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দণ্ড দেওয়ায় বিষয়টিকে হালকা করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভুয়া নামজারি কাগজ ও ডিসিআর রসিদ তৈরির অভিযোগে ওয়াদুদ মিয়াকে (২৪) আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত দণ্ড দেয়
  • 📌 দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১০ দিন কারাদণ্ড দেওয়া হয়
  • 📌 স্থানীয়রা দাবি করেছেন, মূল জালিয়াতির অভিযোগ পরিবর্তন করে দণ্ড দেওয়া হয়েছে
  • 📌 এসি ল্যান্ড এম এ কাদের জানান, ভুয়া ডকুমেন্ট তৈরির কারণে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ওয়াদুদ মিয়া নামে এক যুবককে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে। তবে তাঁকে আটক করা হয়েছিল জমির ভুয়া নামজারি কপি ও ডিসিআর রসিদ তৈরির অভিযোগে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, মূল জালিয়াতির অভিযোগ পরিবর্তন করে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দণ্ড দেওয়ায় বিষয়টিকে হালকা করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, জাল কাগজ তৈরির ঘটনায় নিয়মিত মামলা হওয়া উচিত ছিল।

ওয়াদুদ মিয়া মোহনগঞ্জ পৌর শহরের সাতুর এলাকার মৃত শাহজাহানের ছেলে। তাঁর একটি কম্পিউটারের দোকান রয়েছে উপজেলা পরিষদের ভেতরে। সেখানে তিনি জমির নামজারি আবেদনসহ অনলাইনের বিভিন্ন কাজ করেন। স্থানীয় ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নাগডরা এলাকার মাহবুব মিয়া তাঁর কেনা পাঁচ শতাংশ জমি নামজারি করার জন্য ওয়াদুদকে দায়িত্ব দেন। নির্ধারিত টাকাও তাঁকে দেওয়া হয়। পরে মাহবুবকে জমির নামজারির কপি ও ডিসিআর রসিদ দেন ওয়াদুদ।

গত সোমবার দুপুরে মাহবুব ভূমি উন্নয়ন কর দিতে ওই কাগজপত্র বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পাঠান। সেখানে কাগজপত্র যাচাই করে নামজারি কপি ও ডিসিআর রসিদ জাল বলে প্রমাণিত হয়। বিষয়টি এসি ল্যান্ড এম এ কাদেরকে জানানো হলে সন্ধ্যায় ওয়াদুদকে আটক করে পুলিশ। পরে রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওয়াদুদকে দণ্ডবিধি ১৮৬ ধারায় ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন এসি ল্যান্ড।

"ভুয়া ডিসিআর ও খারিজ কপি দাখিলের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করার মাধ্যমে সরকারি কার্য সম্পাদনে বাধা দেওয়ার দায়ে তাঁকে এ সাজা দেওয়া হয়।"

বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মান্নু রায়হান বলেন, এক ব্যক্তি জাল খারিজ কপি ও ডিসিআর রসিদ নিয়ে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে এলে যাচাই করে সেগুলো জাল প্রমাণিত হয়। বিষয়টি এসি ল্যান্ডকে জানানো হয় এবং কম্পিউটার দোকানি ওয়াদুদ এসব কাগজ তৈরি করেছেন বলে জানা যায়। পরে তাঁকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ড দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমি বাদী হয়ে মামলা করলে আরও বেশি সাজা হতো।’

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের নাজির কাম ক্যাশিয়ার সজল সরকার বলেন, জাল খারিজ ও ডিসিআর রসিদ তৈরি করে সরবরাহ করার কারণেই ওয়াদুদকে আটক করা হয়। তবে ভুয়া কাগজ তৈরির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারায় সাজা দেওয়া হলো— এ বিষয়ে এসি ল্যান্ড এম এ কাদের বলেন, ‘ভুয়া ডকুমেন্ট আমি কীভাবে ট্রিট করব, সেটাই বিষয়। মূলত ভুয়া ডকুমেন্ট তৈরি করে আমার কাজে বাধা দিয়েছে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা
  • 👥 ব্যক্তি: ওয়াদুদ মিয়া (২৪), এম এ কাদের (এসি ল্যান্ড), মান্নু রায়হান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ দিন কারাদণ্ড, দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖