📌 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দী আজহারুল ইসলাম (৫১) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার হত্যা মামলায় দণ্ডিত আজহারুলকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দী আজহারুল ইসলাম (৫১) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার একটি হত্যা মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে বন্দী ছিলেন। রোববার রাত ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় আজহারুলকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কারাবন্দী আজহারুল ইসলাম (৫১) ঢাকা মেডিকেলে মৃত্যুবরণ করেছেন
- 📌 আজহারুলকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল অসুস্থ অবস্থায়
- 📌 মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেলের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান
- 📌 সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে
- 📌 আজহারুলের বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার মধ্যপাড়া এলাকায়
📰 বিস্তারিত
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজহারুলকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকরা তাঁর অবস্থা পরীক্ষা করে মৃত্যুবরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার একটি হত্যা মামলায় আজহারুল ইসলাম দণ্ডিত হয়ে কারাগারে বন্দী ছিলেন। আজহারুলের বাবার নাম সায়েম উদ্দিন। তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার মধ্যপাড়া এলাকায় অবস্থিত।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে আজহারুলকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছিল। রোববার রাতের এই ঘটনায় কারারক্ষীরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
"আজহারুলকে অসুস্থ অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, পাকুন্দিয়া থানা (কিশোরগঞ্জ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজহারুল ইসলাম (৫১), মো. হাবিবুর রহমান, সায়েম উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ বছর, ৯টা ২০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!