📌 সাভারের আমিনবাজারে এসআই আলতাব হোসেনের হত্যাকাণ্ডের মামলায় র্যাব মুন্সিগঞ্জ থেকে চার আসামি গ্রেপ্তার করেছে। হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানানো হয় যখন নিহতের ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামও মারধর করে আহত হয়। সোমবার র্যাবের ব্রিফিংয়ে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ প্রকাশিত হবে
সাভারের আমিনবাজারে এসআই আলতাব হোসেনের হত্যাকাণ্ডের মামলায় র্যাব মুন্সিগঞ্জ থেকে চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। রোববার রাতে র্যাবের গোপন অভিযান শেষে এই তথ্য জানানো হয়। সোমবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের র্যাব মিডিয়া সেন্টারে কর্মকর্তারা ব্রিফিং দেবেন। ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) উপপরিদর্শক মো. আলতাব হোসেনের হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত চার আসামিকে মুন্সিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাভারের আমিনবাজারে এসআই আলতাব হোসেনের হত্যাকাণ্ডের মামলায় র্যাব মুন্সিগঞ্জ থেকে চার আসামি গ্রেপ্তার করেছে।
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল ছিল মদিনা সিটি এলাকার একটি পোশাক কারখানার সামনে, যেখানে নিহতের ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামও মারধর করে আহত হন।
- 📌 আলতাব হোসেন সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা ছিলেন এবং ঢাকার মালিবাগ এসবি কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তিনি আমিনবাজারের বড়দেশি এলাকায় বাস করতেন।
- 📌 হত্যাকাণ্ডের সময় আলতাব একজন ব্যক্তিকে মারধর করতে দেখে হস্তক্ষেপ করেন, কিন্তু হামলাকারীরা তাকে হত্যা করে। তার ছোট ছেলে আরিফুলকেও মারধর করে আহত করা হয়।
- 📌 সোমবার কারওয়ান বাজারে র্যাবের ব্রিফিংয়ে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ প্রকাশিত হবে।
📰 বিস্তারিত
শনিবার রাত আটটার দিকে সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশি এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় ঢুকে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক মো. আলতাব হোসেনকে মারধর করে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থলে তার ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামও মারধর করে গুরুতর আহত হন। আলতাবের পরিবার জানায়, ঘটনাকালীন তিনি একটি অটোরিকশা গ্যারেজের সামনে একজন ব্যক্তিকে মারধর করতে দেখেন। আলতাব সেখানে গিয়ে জানতে পারেন যে, ব্যক্তিগত গাড়িতে থাকা লোকেরা গ্যারেজ মালিককে মারধর করছিল। তিনি হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা তাকে মারধর করে হত্যা করে। আলতাবের ছোট ছেলে আরিফুল বাবার কাছে ঘটনার বিবরণ শুনে কারখানার বাইরে বের হন। সেখানে গাড়িতে থাকা লোকেরা ও আরও ২০ থেকে ২৫ জন হামলাকারী জড়ো হয়ে কারখানায় ঢুকে পড়েন।
আলতাবের বড় ছেলে শরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সাদা রঙের একটি প্রাইভেট কার প্রতিনিয়ত তাদের কারখানার সামনে দিয়ে ঘোরাফেরা করে। গাড়িতে থাকা লোকেরা কারখানার বাঁ পাশে বালু ফেলে একটি মাঠের মতো জায়গা তৈরি করে সেখানে নেশা করেন। তিনি দাবি করেন, এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আলতাবের পরিবার জানায়, তিনি মদিনা সিটি এলাকায় তাদের কারখানার বাইরে বাস করতেন। ঘটনার পর আলতাবকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি মৃত ঘোষণা হন। আরিফুলকে একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীর করা মামলায় আগে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। র্যাবের কর্মকর্তারা সোমবার সকালে কারওয়ান বাজারের মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং দেবেন, যেখানে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ প্রকাশিত হবে।
"আমাদের কারখানার সামনে প্রতিনিয়ত একটা প্রাইভেট কার ঘোরাফেরা করে। সেখানে বালু ফেলে তারা নেশা করেন। এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।"— শরিফুল ইসলাম, আলতাব হোসেনের বড় ছেলে
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাভারের আমিনবাজার, মদিনা সিটি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আলতাব হোসেন (এসআই), আরিফুল ইসলাম (ছোট ছেলে), শরিফুল ইসলাম (বড় ছেলে)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-২৫ জন হামলাকারী, ৪ আসামি গ্রেপ্তার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!