📌 মুন্সিগঞ্জের চরকেওয়ার ইউনিয়নে রাত সাড়ে ৯টায় মাজারে অবস্থানরত আ.লীগ কর্মী জাহিদ ব্যাপারী (৫০) প্রতিবেশী ফরিদ ব্যাপারী (৫৬) কর্তৃক ছুরিকাঘাতের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। পরিবার অভিযোগ করেছে, কোনো কারণ ছাড়াই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পিছনে রাজনৈতিক মটর মনে করা হচ্ছে
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের ভিটি হোগলাকান্দি এলাকায় রাত সাড়ে ৯টায় মাজারে অবস্থানরত আ.লীগ কর্মী জাহিদ ব্যাপারী (৫০) নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাতের শিকার হন। ঘটনাস্থলে উদ্ধার করা হলেও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রাত ১২টায় মৃত্যুবরণ করেন। পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের অভিযান চালাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুন্সিগঞ্জে মাজারে আ.লীগ কর্মী জাহিদ ব্যাপারী (৫০) নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাতের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেন — ঘটনাস্থল হোগলাকান্দি এলাকার হজরত দয়াল বাবা সমশের রুহুল আমিন (রহ.)-এর মাজার।
- 📌 হত্যাকারী ফরিদ ব্যাপারী (৫৬) — জাহিদের প্রতিবেশী — রাত সাড়ে ৯টায় ছুরি হাতে মাজারে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি আক্রমণ করেন।
- 📌 মৃত্যু ঢাকায় — ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টায় জাহিদের মৃত্যু হয়।
- 📌 পাঁচ সদস্যের পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জাহিদ — তাঁর মৃত্যুর কারণে পরিবার ভারী হয়ে উঠেছে।
- 📌 পুলিশ অভিযুক্ত ফরিদকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে — ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের ভিটি হোগলাকান্দি এলাকায় বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় একটি মাজারে অবস্থানরত জাহিদ ব্যাপারী (৫০) নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাতের শিকার হন। জাহিদ আ.লীগের একজন কর্মী ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছিলেন। ঘটনাস্থল ছিল হজরত দয়াল বাবা সমশের রুহুল আমিন (রহ.)-এর মাজার। প্রতিবেশী ফরিদ ব্যাপারী (৫৬) ছুরি হাতে মাজারে প্রবেশ করে জাহিদকে এলোপাতাড়ি আক্রমণ করেন। মাজারের ভেতরে থাকা কয়েকজন নারী জাহিদকে উদ্ধার করে প্রথমে তাঁকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। পরে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত ১২টায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাহিদের মৃত্যু হয়।
জাহিদ ব্যাপারীর পরিবার অভিযোগ করেছে যে, তাঁর বাবা আ.লীগের কর্মী ছিলেন এবং কখনো কারও ক্ষতি করেননি। তবে ফরিদ ব্যাপারী তাঁকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন বলে দাবি করেছেন পরিবারের সদস্যরা। জাহিদের বড় মেয়ে ফারিহা আক্তার জানান, তাঁর বাবা দিনমজুরি করে পরিবার চালাতেন। কোনো কারণ ছাড়াই তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। পরিবার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে।
মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন জানান, রাত ১২টার দিকে পুলিশ জাহিদ ব্যাপারীর মৃত্যুর খবর পায়। পরে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
"আমার বাবা আ.লীগের কর্মী ছিলেন, কিন্তু কখনো কারও ক্ষতি করেননি। ফরিদ তাঁকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন বলে আমি মনে করি।" — ফারিহা আক্তার, জাহিদ ব্যাপারীর বড় মেয়ে
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা, চরকেওয়ার ইউনিয়ন, ভিটি হোগলাকান্দি এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাহিদ ব্যাপারী (৫০), ফরিদ ব্যাপারী (৫৬), ফারিহা আক্তার, মো. কামরান হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ (জাহিদের বয়স), ৫৬ (ফরিদের বয়স), ৯:৩০ (ঘটনার সময়), ১২:০০ (মৃত্যু সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!