📌 ঢাকার শ্যামলী বাসস্ট্যান্ডে ট্রাকচাপায় আহত হয়ে মারা যান ১১ বছর বয়সী মুক্তা আক্তার। পরিবার মর্গে তার ছবি দেখিয়ে খোঁজ পেলেও মরদেহ দাফন হয়ে যাওয়ার আগে তার মুখ দেখতে পারেননি। পুলিশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোর দাবি ও ট্রাক শনাক্তের অগ্রগতির অভাব নিয়ে পরিবার আক্ষেপ করছে
১১ বছর বয়সী মুক্তা আক্তারের মৃত্যুতে তার মা মোসা. নাজমা ও পরিবার আঘাতপ্রাপ্ত। ঢাকার শ্যামলী বাসস্ট্যান্ডে ১৫ অক্টোবর শনাক্ত ট্রাকচাপায় আহত হয়ে মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা দিলেন। পরিবার মর্গে তার ছবি দেখিয়ে খোঁজ পেলেও মরদেহ দাফন হয়ে যাওয়ার আগে তার মুখ দেখতে পারেননি। মর্গের ইনচার্জের কথায়, ফ্রিজের সমস্যা কারণে মরদেহ দ্রুত হস্তান্তর করা হয়। পরিবার দাবি করছে, পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোর বদলে অজ্ঞাত ট্রাক শনাক্তে অগ্রগতি দেখাচ্ছে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ অক্টোবর শ্যামলী বাসস্ট্যান্ডে ট্রাকচাপায় আহত হয়ে মারা যান ১১ বছর বয়সী মুক্তা আক্তার
- 📌 মা মোসা. নাজমা ও পরিবার মর্গে মুক্তার ছবি দেখিয়ে খোঁজ পেলেও তার মৃত্যুর খবর পেলেন
- 📌 মর্গের ইনচার্জের কথায়, ফ্রিজের সমস্যা কারণে মরদেহ দ্রুত আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামে হস্তান্তর করা হয়
- 📌 পরিবার অভিযোগ, পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোর বদলে ট্রাক শনাক্তে অগ্রগতি দেখাচ্ছে না
- 📌 মুক্তার মরদেহ শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি পাওয়ার পরপরই মৃত ঘোষণা দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
১১ বছর বয়সী মুক্তা আক্তারের মৃত্যুতে তার পরিবার আঘাতপ্রাপ্ত। ঢাকার শ্যামলী বাসস্ট্যান্ডে ১৫ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে ট্রাকচাপায় আহত হয়ে মেয়েকে পথচারীরা উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরপরই চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা দেন। পরিবার জানতে পারেন মুক্তা হাসপাতালে আহত অবস্থায় ভর্তি রয়েছে শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে। মা মোসা. নাজমা ও পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে ছুটে যান, কিন্তু মুক্তাকে খুঁজে পাননি। শেষ পর্যন্ত মর্গে গিয়ে তার ছবি দেখিয়ে জানতে পারেন মুক্তার মরদেহ সেখানে ছিল।
মর্গের ইনচার্জ মো. জীবন হাসান জানান, মরদেহ সংরক্ষণের ফ্রিজের বেশ কয়েকটি নষ্ট ছিল। সেজন্য মুক্তার মরদেহ এক দিনের মধ্যেই আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবার জানতে পারেন, মুক্তার মরদেহ শুক্রবার ভোরবেলা (১৫ অক্টোবর) দাফন করা হয়েছে। মা মোসা. নাজমা বলেন, ‘আমি মেয়ের মুখটা শেষবারের মতোও দেখতে পেলাম না। অন্তত একবার তার মুখ দেখতে পারতাম!’
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে পরিবার প্রশ্ন তুলেছে। মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হালিম জানান, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে ট্রাক শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু পরিবার দাবি করছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোর বদলে ট্রাক শনাক্তে অগ্রগতি দেখাচ্ছে না। তারা অভিযোগ করেন, পুলিশ তাদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোর বদলে মুক্তার ছবি দেখানোর প্রতিবাদ করলেও তা দেয়নি।
"আমি পুলিশের পায়ে ধরেছি, আমার মেয়ের সেই ছবিটা দেওয়ার জন্য। কিন্তু তারা কোনোভাবেই ছবিটা আমাকে দেয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (শ্যামলী বাসস্ট্যান্ড, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মোহাম্মদপুর থানা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুক্তা আক্তার (১১), মোসা. নাজমা (মা), মো. জীবন হাসান (মর্গের ইনচার্জ), মো. আব্দুল হালিম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর (মুক্তার বয়স), ১৫ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ১৭ অক্টোবর (হাসপাতালে ভর্তির খবর পাওয়ার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!