📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মৌলভীবাজারে অটোরিকশা চালককে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেন মা-মেয়ে, স্বীকারোক্তি দেন গৃহবধূ

মৌলভীবাজারে অটোরিকশা চালককে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেন মা-মেয়ে, স্বীকারোক্তি দেন গৃহবধূ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় সিএনজি অটোরিকশা চালক আবুল কালামকে (৪০) গৃহবধূ আছমা বেগম (৩৮) ও তার মেয়ে লিমা আক্তার (১৮) কুপিয়ে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তার করেন দুজনের

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় সিএনজি অটোরিকশা চালক আবুল কালামকে (৪০) হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগে গৃহবধূ আছমা বেগম (৩৮) ও তার মেয়ে লিমা আক্তার (১৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মামলা দায়েরের পর দুজনের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মৌলভীবাজার জুড়ী উপজেলায় সিএনজি অটোরিকশা চালক আবুল কালাম (৪০) কুপিয়ে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 হত্যাকাণ্ডে জড়িত আছমা বেগম (৩৮) ও তার মেয়ে লিমা আক্তার (১৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
  • 📌 নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম, বাসস্থান পূর্ব জুড়ী ইউনিয়নের বড় ধামাই গ্রাম।
  • 📌 হত্যাকাণ্ডের লাশ জুড়ী নদী থেকে উদ্ধার করা হয়, ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
  • 📌 হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে আছমা বেগমের দেওয়া তথ্য ও কালামের মুঠোফোনের কললিস্ট অনুসরণ করে গ্রেপ্তার করা হয়।

📰 বিস্তারিত

মৌলভীবাজার জুড়ী উপজেলায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জুড়ী নদী থেকে একটি লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় লোকজন লাশটি জাঙ্গিরাই এলাকায় জুড়ী নদীতে ভাসতে দেখেন। পুলিশের তদন্তে জানা যায়, নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম (৪০), যিনি পূর্ব জুড়ী ইউনিয়নের বড় ধামাই গ্রামের বাসিন্দা। কালাম সিএনজি অটোরিকশা চালাতেন এবং প্রায়ই আছমা বেগমের বাড়িতে যাতায়াত করতেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আছমা বেগম (৩৮) ও তার মেয়ে লিমা আক্তার (১৮) পাশের গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব কচুরগুল নালাপুঞ্জি এলাকার বাসিন্দা। কালামের দ্বিতীয় স্ত্রী আছমার ননদ। আছমার স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে থাকতেন। সংসারের খরচ চালাতে কালাম অটোরিকশা ভাড়ায় চালাতেন। একপর্যায়ে আছমা ও কালামের সম্পর্ক তৈরি হয়। গত মঙ্গলবার রাতে কালাম আছমাদের বাড়িতে যান এবং আর ফিরেননি।

হত্যাকাণ্ডের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। ময়নাতদন্তে লাশের গলায় একাধিক কোপের আঘাত পাওয়া যায়। নিহত ব্যক্তির পরিচয় মিলে জানা যায়, তিনি আবুল কালাম। কালামের ছোট ভাই হাফিজ উদ্দিন জুড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ কালামের মুঠোফোনের কললিস্ট অনুসরণ করে আছমা ও লিমাকে গ্রেপ্তার করেন।

"আছমার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত দা ও কালামের মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। মামলায় আছমা ও লিমাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাঁদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য মৌলভীবাজারের সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হবে।"

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে আছমা ও লিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় তাদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জুড়ী উপজেলা, মৌলভীবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল কালাম (৪০), আছমা বেগম (৩৮), লিমা আক্তার (১৮), হাফিজ উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যা হাসপাতাল, ১৬৪ ধারা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖