📌 মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত তারা মিয়ার লাশ স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, চোরাকারবারির অভিযোগে তাঁর চার সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার মাগুরুলি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে নিহত তারা মিয়ার লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার চাতলাপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় উভয় দেশের প্রতিনিধিদলের উপস্থিতিতে এই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তারা মিয়া (২০) নামের তরুণকে বিএসএফের গুলিতে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে বিজিবি।
- 📌 তারা মিয়ার লাশ স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে সোমবার বিকেলে।
- 📌 চোরাকারবারির অভিযোগে তাঁর চার সহযোগীর বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় মামলা হয়েছে।
- 📌 তারা মিয়া কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তি এলাকার আবদুল মালেক ও আজিরুন্নেছা দম্পতির সন্তান।
📰 বিস্তারিত
বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়ন ও কুলাউড়া থানা সূত্রে জানা গেছে, তারা মিয়া ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ইরানি থানার অধীনস্থ এলাকায় চোরাকারবারির সময় বিএসএফের গুলিতে নিহত হন। ঘটনার পর তাঁর লাশ ভারতীয় পুলিশ উদ্ধার করে কৈলাসহর হাসপাতালের মর্গে রাখে। পরে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের উপস্থিতিতে লাশ হস্তান্তর করা হয়।
চোরাকারবারির অভিযোগে তারা মিয়ার চার সহযোগীর নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেছে বিজিবি। আসামিদের বাড়ি কর্মধা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বলে জানিয়েছেন কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত চলছে।
এ সময় ভারতীয় প্রতিনিধিদলে ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্যের ইরানি থানার পরিদর্শক শ্রীকান্ত চক্রবর্তী ও বিএসএফের ১৯৯ ব্যাটালিয়নের মাগুরুলি কোম্পানি কমান্ডার এ সি রোহিত। অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে ছিলেন কুলাউড়া থানার ওসি শেখ জহিরুল ইসলাম, বিজিবির আলীনগর কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার কাজী নাসিম, কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সিলভেস্টার পাঠাং ও তারা মিয়ার বড় ভাই রাজু মিয়া।
"আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা চলছে।" — শেখ জহিরুল ইসলাম, ওসি, কুলাউড়া থানা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাগুরুলি সীমান্ত, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তারা মিয়া (২০), শেখ জহিরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (সহযোগী), ৫০০ (গজ), ৪৬ (ব্যাটালিয়ন), ১৯৯ (ব্যাটালিয়ন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!