📌 ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং ও মাদক দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন। তিনি নাগরিকদের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে এলাকাভিত্তিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন
ঢাকার মোহাম্মদপুরে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ জোরালো পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই এলাকায় কিশোর গ্যাং ও মাদকের অস্তিত্ব থাকবে না। কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি জোরালোভাবে প্রয়োগ করার কথা জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং ও মাদক দমনে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি জোরালোভাবে প্রয়োগ করা হবে
- 📌 নাগরিকদের সহযোগিতায় এলাকাভিত্তিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে
- 📌 মোহাম্মদপুর থানায় ৮টি বিট রয়েছে, তাদের বিট পুলিশিং আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানার তালিকা ধরে অভিযান চালানো হবে
- 📌 ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজন হলে আইনগতভাবে অস্ত্র প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে
- 📌 চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
আজ শনিবার বিকেলে মোহাম্মদপুরের বছিলা পুলিশ লাইনে নাগরিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময় সভায় ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন। সভায় র্যাবের মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ওসমান গনি, র্যাব-২ অধিনায়ক নয়মুল হাসান, তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান, স্থানীয় রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা নাগরিকদের কাছ থেকে অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করেন। কমিশনার বলেন, মোহাম্মদপুরের নাগরিকেরা কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাইয়ের বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। গত তিন মাসের তুলনায় আগের তিন মাসের অপরাধের পরিসংখ্যানে উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে নাগরিকদের চাহিদা মোহাম্মদপুরে কোনো মাদক, কিশোর গ্যাং বা ছিনতাই থাকবে না। পুলিশও সেই লক্ষ্যে কাজ করছে।
কমিশনার বলেন, মোহাম্মদপুরের মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানার তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। এসব তালিকা ধরে অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। তিনি রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজগুলিতে নিয়মিত অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘অটো রিকশার গ্যারেজের ভেতরে রাতে যাকেই পাওয়া যাবে, তাকেই অ্যারেস্ট করতে হবে’।
কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও ডিএমপি একসঙ্গে কাজ করবে। নাগরিকদের সহযোগিতায় প্রতিদিন অভিযান চালানো হবে এবং অতি সত্বর মোহাম্মদপুরকে কিশোর গ্যাংমুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজন হলে আইনগতভাবে অস্ত্র প্রয়োগের কথাও বলেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের কমিউনিটি পুলিশিং ও ওয়ার্ডভিত্তিক মাদকবিরোধী ও কিশোর গ্যাংবিরোধী কমিটির মাধ্যমে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান কমিশনার। তিনি আরও বলেন, চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে প্রায় পাঁচ কাঠা জায়গায় পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। মামলার রায় পুলিশের পক্ষে এলে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সেখানে ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।
"শুধু পুলিশের পক্ষে এসব সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ জন্য নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। জনতার প্রতিরোধ কিন্তু সবচেয়ে বড় শক্তি। এটা শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা পৃথিবীতে উদাহরণ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮টি বিট, পাঁচ কাঠা জায়গা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!