📌 পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলায় তিনজন আসামির সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। আদালত আগামী ২৮ আগস্ট পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন। মামলায় মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে
পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ হত্যা মামলায় তিনজন আসামির সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আলমগীর হোসেনের আদালতে ইসমাইল, বাবুল ও হাসান নামে তিন আসামির সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে আদালত আগামী ২৮ আগস্ট পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন বলে আদালতের বেঞ্চ সহকারী এ এস এম শাহাদাৎ আলী নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলায় তিনজন আসামির সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে
- 📌 আদালত আগামী ২৮ আগস্ট পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন
- 📌 মামলায় মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে
- 📌 নিহত সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম প্রথম সাক্ষ্য দেন
📰 বিস্তারিত
পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ হত্যা মামলায় তিনজন আসামির সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আলমগীর হোসেনের আদালতে ইসমাইল, বাবুল ও হাসান নামে তিন আসামির সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ট হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে। একদল লোক পাকা রাস্তার ওপর ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে পাথর দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে ও কুপিয়ে হত্যা করে।
এই ঘটনায় পরদিন ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলাটি করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন তিনি। তবে আদালত তদন্তে ত্রুটি থাকায় আবার তদন্ত করে অভিযোগপত্র দাখিলের নির্দেশ দেন। চলতি বছরের ১০ মে তদন্ত করে আবারও ২১ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ।
গত ১২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলায় আসামিদের মধ্যে মাহমুদ হাসান মহিন, আলমগীর, মনির ওরফে লম্বা মনির, নান্নু ওরফে নান্নু কাজী, সজিব ওরফে সজিব বেপারী, টিটন গাজী, তারেক রহমান রবিন, জহিরুল ইসলাম, পারভেজ, সাগর, রিজওয়ান উদ্দিন ওরফে অভিজিৎ বসু ওরফে অভি, রুমান বেপারী, আবির হোসেন, জহির, ইমরান হোসেন, শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, হোসেন চৌকিদার, জিয়াউদ্দিন রাজিব, সারোয়ার হোসেন টিটু, মনির ওরফে ছোট মনির ও অপু দাস রয়েছেন। এদের মধ্যে ১০ জন কারাগারে ও আটজন পলাতক। তিন আসামি জামিনে রয়েছেন।
"২০২৫ সালের ৯ জুলাই বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তাঁর ভাই সোহাগকে হত্যা করা হয়। মাহিন, টিটু, লম্বা মনির, ছোট মনির, সজিব, রাজীব, রুমান বেপারী, আবির হোসেন, আলমগীর, অপু দাস, অভি, টিটন গাজী, রবিনসহ অনেকে সোহাগকে পিটিয়ে, ইট-পাথরের খণ্ড দিয়ে আঘাত করে। একপর্যায়ে সোহাগ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে কংক্রিটের বোল্ডার দিয়ে তাঁর মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়। এরপর সোহাগ মারা গেছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাঁর মরদেহের ওপর উঠে তারা উল্লাস করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পুরান ঢাকা, মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলমগীর হোসেন (আদালত), এ এস এম শাহাদাৎ আলী (বেঞ্চ সহকারী), মনিরুজ্জামান (তদন্তকারী কর্মকর্তা), শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ (পরিদর্শক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন আসামির সাক্ষ্য, ২১ জন আসামি, ২৮ আগস্ট পরবর্তী শুনানি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!