📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চর কুকরি-মুকরির রোদে পুড়ে গেল নিলয়-হিমির নতুন নাটক ‘পরানের পরান’

চর কুকরি-মুকরির রোদে পুড়ে গেল নিলয়-হিমির নতুন নাটক ‘পরানের পরান’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নিলয় আলমগীর ও জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি তাদের নতুন নাটক ‘পরানের পরান’-এর শুটিং করেছেন ভোলার চর কুকরি-মুকরি এলাকায়। পাঁচ দিন রোদে পুড়ে, সাগরের পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ লোকেশন থেকে ফিরেছেন তারা

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনয় জুটি নিলয় আলমগীর ও জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি তাদের নতুন নাটক ‘পরানের পরান’-এর শুটিং করেছেন চর কুকরি-মুকরিতে। এই শুটিংয়ে তারা পাঁচ দিন ধরে রোদে পুড়ে, খাদ্য ও বিশ্রামের কোনো সুবিধা ছাড়াই কাজ করেছেন। নাটকটির গল্পে ডাকাত দলের একজন সদস্য ও নববধূকে ঘিরে গল্পের জন্য এই ঝুঁকিপূর্ণ লোকেশন নির্বাচন করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভোলার চর কুকরি-মুকরি এলাকায় পাঁচ দিন ধরে রোদে পুড়ে শুটিং করেছেন নিলয়-হিমি জুটি
  • 📌 সাগরের পাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ লোকেশন থেকে ট্রলার ও স্পিডবোটে যাতায়াত করে শুটিং সম্পন্ন
  • 📌 হিমি সাঁতার জানেন না, তাই শুটিংয়ে যাওয়ার আগে সবাইকে বলতেন ‘কোনো সমস্যা হলে আমাকে রক্ষা কর’
  • 📌 নিলয় বলেছেন, ‘সাধারণত শুটিংয়ে এত কষ্ট হয় না, কিন্তু এই শুটিংয়ে সবাই কষ্ট পেয়েছেন’
  • 📌 ‘পরানের পরান’ নাটকটি পরিচালনা করছেন রিয়াদ আশরাফ
  • 📌 নিলয়-হিমির জুটি বয়স দেখতে ১০ বছর হলেও, তারা ১০ বছর ধরে একসাথে কাজ করছেন

📰 বিস্তারিত

নাটকটির গল্পে একটি ডাকাত দল নৌকা থেকে এক কনেকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। সেই ডাকাত দলের একজন সদস্য ও নববধূকে কেন্দ্র করে গল্পের বিকাশ ঘটে। এই নাটকটি পরিচালনা করছেন রিয়াদ আশরাফ। নিলয় জানান, তাদের বেশিরভাগ নাটকের শুটিং ঢাকা ও গাজীপুরের পূবাইলে হয়। কিন্তু এই নাটকের জন্য ভোলার চর কুকরি-মুকরি এলাকায় পাঁচ দিন ধরে শুটিং হয়েছে।

চর কুকরি-মুকরির লোকেশন শুনেই নিলয় ও হিমির কপালে ভাঁজ পড়েছিল। কারণ, সেখানে যেতে হয় ট্রলার, স্পিডবোট বা লঞ্চে। নিলয় সাঁতার জানলেও হিমি সাঁতার জানেন না। প্রতিদিন শুটিংয়ে যাওয়ার আগে হিমি সবাইকে বলতেন, ‘কোনো সমস্যা হলে আমাকে রক্ষা কর’। তিনি বলেন, ‘আম্মু আমার সঙ্গে ছিলেন। কোনো সমস্যা হলে আম্মু আমাকে খুঁজবেই।’

শুটিংয়ে মেকআপের প্রয়োজন হয়নি। নিলয় বলেন, ‘চরিত্রের জন্য রোদে পুড়ে আমি নিজেই চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে গিয়েছি। কোনো চরিত্রের জন্য আগে কখনোই এমন কষ্ট করতে হয়নি।’ হিমিও বলেন, ‘এই শুটিংয়ে জীবন নিয়ে ফিরেছি। টানা পাঁচ দিন রোদে পুড়ে শেষ। গায়ের রংই পরিবর্তন হয়ে গেছে।’

"বাংলাদেশের একদম শেষ প্রান্তে, সাগরের পাড়ে জেগে ওঠা চরে শুটিং করেছি। ভোলা শহর থেকেও অনেক দূরে। আমাদের যাওয়া–আসার পথটাই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ।"

নিলয়-হিমির জুটি বয়স দেখতে ১০ বছর হলেও, তারা ১০ বছর ধরে একসাথে কাজ করছেন। হিমি বলেন, ‘আমি আর নিলয় ভাই অনেক দিন ধরেই কাজ করছি। আমাদের প্রথম নাটকে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিল একজন ছেলে, সে এবার আমাদের নিয়ে নাটক নির্মাণ করছে। সেই সময় আমি কলেজের ড্রেস পরে শুটিং ইউনিটে যেতাম। সেই দিনগুলোতে আমরা জুটি হিসেবে তৈরি হয়েছি।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভোলা জেলার চর কুকরি-মুকরি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিলয় আলমগীর, জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি, রিয়াদ আশরাফ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ দিন (শুটিং), ১০ বছর (জুটির বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖