📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিরপুরের কালশীতে পুলিশ সদস্যকে মারধর করে অস্ত্র চুরি: প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি

মিরপুরের কালশীতে পুলিশ সদস্যকে মারধর করে অস্ত্র চুরি: প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিরপুরের কালশীতে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্যকে মারধর করে অস্ত্র চুরি করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ সদস্য মো. সাইমনকে ঘিরে ধরে মারধর করা হয় এবং তার কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ চলছে মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে

মিরপুরের কালশীতে আজ মঙ্গলবার সকালে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্যকে মারধর করে তার কাছ থেকে অস্ত্র চুরি করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ সদস্য মো. সাইমনকে ঘিরে ধরে মারধর করা হয় এবং তার বন্দুক নিয়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল ছিল মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশন থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে কালশী সড়কের একটি বেসরকারি সুপারশপের সামনে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরপুরের কালশীতে পুলিশ সদস্য মো. সাইমনকে মারধর করে তার বন্দুক নিয়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়
  • 📌 পল্লবী থানার পুলিশ সদস্য মো. সাইমনকে বিক্ষোভকারীরা ঘিরে মারধর করে
  • 📌 পুলিশ সদস্য কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল রাজারবাগে চিকিৎসাধীন
  • 📌 মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে পোশাকশ্রমিকরা বিক্ষোভ করছেন
  • 📌 মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ নম্বর এলাকায় সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে

📰 বিস্তারিত

মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশন থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে কালশী সড়কে আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। পল্লবী থানার পুলিশ সদস্য মো. সাইমন পুলিশের সঙ্গে পোশাকশ্রমিকদের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করছিলেন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্য মো. সাইমনকে বিক্ষোভকারীরা ঘিরে মারধর শুরু করে এবং তার কাছ থেকে বন্দুক নিয়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় একটি নারী প্রত্যক্ষদর্শী প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুলিশ সদস্যকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হয়। তার বন্দুক নিয়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। পরে অনেকে তাকে ইচ্ছামতো পিডাইস (পিটাই) করে। তারপর কিছু লোক পুলিশকে বাঁচিয়ে মিরপুর-১১ মেট্রোর দিকে পাঠায়।’

সুপারশপের কর্মীও জানান, হঠাৎ কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশ সদস্যকে মাটিতে ফেলে মারধর শুরু করেন। পরে তারা দোকানের শাটার বন্ধ করে দোতলায় চলে যান। ঘটনাস্থলের পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) তৌহিদুল আরিফ জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য নেই এবং খোঁজ নিয়ে পরে জানানো হবে।

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে পোশাকশ্রমিকদের সংঘর্ষ চলেছে। মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে পোশাকশ্রমিকরা গত কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ করছেন। গত শনি ও রোববার শ্রমিকরা মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ নম্বর এলাকায় সড়ক অবরোধ করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। রোববার মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

"হেরা পুলিশডারে মাটিত ফালাই দিসে। একজনে বন্দুক ছিনাই নিয়া রাস্তায় ফিইক্কা মাইরা ফালাই দিসে। পরে অনেকে মিইলা ইচ্ছামতো পিডাইসে। ওগোর মধ্যেই আবার কিছু লোকজন পুলিশরে বাঁচাই দিয়ে ওই দিক (মিরপুর-১১ মেট্রোর দিকে) পাঠাই দিসে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুরের কালশী সড়ক, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাইমন (পুলিশ সদস্য), জালাল উদ্দিন (পল্লবী থানার ওসি), তৌহিদুল আরিফ (উপপুলিশ কমিশনার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ মিটার (ঘটনাস্থল থেকে মেট্রোস্টেশন), ১১ টা (বেলা), ৩০ হাজার টাকা (মাসিক মজুরি দাবি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖