📌 মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় মাটির নিচ থেকে ৯৬টি শক্তিশালী মাইন উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয় মধুগাড়ী নদীর তীরবর্তী এলাকায়। স্থানীয়দের ধারণা, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানি বাহিনী এসব মাইন পুঁতে রেখেছিল
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে মাটির নিচ থেকে বিপুলসংখ্যক বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মোট ৯৬টি মাইন উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে সেনাবাহিনীর দ্রুত ও পেশাদারিত্বপূর্ণ অভিযানের পর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে মাটির নিচ থেকে ৯৬টি মাইন উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
- 📌 উদ্ধার হওয়া মাইনগুলোর মধ্যে রয়েছে ৭৯টি অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন এবং ১৭টি অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন
- 📌 অভিযান পরিচালিত হয় মধুগাড়ী নদীর তীরবর্তী এলাকায়, সময়কাল ছিল সোমবার বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত
- 📌 স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাস্তা সংস্কারের সময় মাটি কাটার সময় মাইনসদৃশ বস্তু চোখে পড়ে স্থানীয়দের
- 📌 সেনাবাহিনীর যশোরের ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের ৩ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করেন মেজর তরিকুল ইসলাম
📰 বিস্তারিত
মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া গ্রামে মাটির নিচ থেকে বিপুলসংখ্যক বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উদ্ধার হওয়া মাইনগুলোর মধ্যে রয়েছে ৭৯টি অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন এবং ১৭টি অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাস্তা সংস্কারের সময় পাশের একটি উঁচু জায়গা থেকে কাটা মাটি রাস্তায় ফেলা হয়। পরে বৃষ্টির পানিতে মাটি সরে গেলে প্লাস্টিকের একটি টুলবক্স ও কয়েকটি মাইনসদৃশ বস্তু চোখে পড়ে স্থানীয়দের।
খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে গাংনী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত করে। একই সাথে বিষয়টি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জানানো হলে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
যশোরের ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের ৩ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের নেতৃত্বে মেজর তরিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে মাটির নিচ থেকে ৭৯টি অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন, ১৭টি অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন এবং একটি প্লাস্টিকের টুলবক্স উদ্ধার করা হয়। পরে মাইনগুলো মধুগাড়ী নদীর তীরবর্তী নিরাপদ স্থানে নিয়ে বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
"১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সীমান্তবর্তী কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার তেকালা গ্রামের ব্যাংগাড়ির মাঠ এলাকায় তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। তার ধারণা, পাকিস্তানি বাহিনীর অগ্রযাত্রা প্রতিরোধ কিংবা কৌশলগত প্রতিরক্ষার অংশ হিসেবে ওই সময় এসব মাইন পুঁতে রাখা হয়ে থাকতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাংনী উপজেলা, মেহেরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর তরিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৬টি মাইন, ৭৯টি অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন, ১৭টি অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!