📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পারিবারিক কলহে মায়ের হাত থেকে বিষ খেয়ে মৃগমারি গ্রামের শিশু হাসপাতালে ভর্তি

পারিবারিক কলহে মায়ের হাত থেকে বিষ খেয়ে মৃগমারি গ্রামের শিশু হাসপাতালে ভর্তি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় পারিবারিক কলহে ১১ মাস বয়সী শিশুকে মায়ের হাত থেকে বিষ খাওয়ানো হয়। শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দাদি আলেয়া খাতুন জানান, বিষ খাওয়ানোর অভিযোগে মা সোনিয়া বলেছেন, ‘আমিও মরব, মেয়েকেও মারব’

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মৃগমারি গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে ১১ মাস বয়সী এক শিশুকে মায়ের হাত থেকে বিষ খাওয়ানো হয়েছে। শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে দাঁড়িয়েছে মায়ের অভিযোগ, যিনি শিশুকে বিষ খাওয়ানোর কথা স্বীকার করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি ১১ মাস বয়সী শিশুকে মায়ের হাত থেকে ঘাসপোড়া বিষ খাওয়ানো হয়েছে
  • 📌 শিশুটির বাবা দ্রুত তাকে গ্রামের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান, পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়
  • 📌 শিশুটির দাদি আলেয়া খাতুন জানান, মা সোনিয়া বলেছেন: ‘আমিও মরব, মেয়েকেও মারব’
  • 📌 পারিবারিক কলহের জেরে ঘটনাটি ঘটে, শিশুটির বাবা-মা আলামিন ও সোনিয়া
  • 📌 হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন বলেন, শিশুটিকে বিষ খাওয়ানোর অভিযোগে চিকিৎসা চলছে

📰 বিস্তারিত

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী ইউনিয়নের মৃগমারি গ্রামে আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পারিবারিক কলহের জেরে ১১ মাস বয়সী শিশুকে মায়ের হাত থেকে বিষ খাওয়ানো হয়েছে। শিশুটি আলামিন ও সোনিয়া দম্পতির একমাত্র সন্তান। প্রায় আড়াই বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। পারিবারিক বিষয় নিয়ে আলামিন ও সোনিয়ার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে স্বজনেরা বিষয়টি মীমাংসা করে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর সোনিয়া নিজের ১১ মাস বয়সী মেয়েকে বিষ খাওয়ানোর অভিযোগ উঠে। শিশুটির বাবা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দ্রুত তাকে গ্রামের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং শিশুটিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শিশুটির দাদি আলেয়া খাতুন জানান, ‘আলামিন ও সোনিয়ার মধ্যে কোনো একটি বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে আমরা সবাই মিলে বিষয়টি মিটমাট করে দিয়ে চলে আসি। এরপর শুনতে পাই, সোনিয়া তার মেয়েকে বিষ দিয়েছে। আমরা দ্রুত তাকে গ্রামের চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাই। সেখানে বমি করানোর পর চুয়াডাঙ্গায় নিয়ে আসি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সোনিয়াকে মেয়েকে বিষ দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে সে বলে, “আমিও মরব, মেয়েকেও মারব”। তবে সে নিজে বিষ পান করেনি, শুধু মেয়েকে খাওয়াইছে।’

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন বলেন, ‘সকালে একটি শিশুকে স্বজনেরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রাথমিকভাবে বোঝা যায়, শিশুটিকে ঘাসপোড়া বিষ খাওয়ানো হয়েছে। স্বজনদের কাছ থেকে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে শিশুটির মা তাকে বিষ খাইয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরবর্তী চিকিৎসার জন্য বিষয়টি শিশু কনসালটেন্টের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

"আমিও মরব, মেয়েকেও মারব"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মৃগমারি গ্রাম, জীবননগর উপজেলা, চুয়াডাঙ্গা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিশু (১১ মাস), সোনিয়া (মা), আলামিন (বাবা), আলেয়া খাতুন (দাদি), ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন (হাসপাতাল কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ মাস (শিশুর বয়স), ২০ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖