📌 মদন উপজেলায় মৃত্যুবরণকারী সাবেক ইউপি সদস্য মো. জগৎ মিয়ার মৃত্যুর তিন মাস পর তার জাল স্বাক্ষর দিয়ে স্কুলের অর্থ আত্মসাৎের অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জিয়াউর হকের বিরুদ্ধে। অভিযোগে ১৩ জন স্থানীয় ব্যক্তি জেলা প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন
মদন উপজেলায় মৃত্যুবরণকারী সাবেক ইউপি সদস্য মো. জগৎ মিয়ার মৃত্যুর তিন মাস পর তার জাল স্বাক্ষর দিয়ে স্কুলের অর্থ আত্মসাৎের অভিযোগ উঠেছে। গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জিয়াউর হকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২২ সালের ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণকারী সাবেক ইউপি সদস্য মো. জগৎ মিয়ার মৃত্যুর তিন মাস পর তার জাল স্বাক্ষর দিয়ে স্কুলের বিল-ভাউচারে অর্থ আত্মসাৎের অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জিয়াউর হকের বিরুদ্ধে।
- 📌 অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভায় উপস্থিত করে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।
- 📌 অভিযোগপত্রে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে।
- 📌 অভিযোগ দায়ের করেছেন বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ইয়াসমিন আক্তারসহ ১৩ জন স্থানীয় ব্যক্তি।
- 📌 অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জিয়াউর হক বলেছেন, "আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।"
- 📌 উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা সুলতানা বলেছেন, "অভিযোগটি আমিও পেয়েছি। বিষয়টি বিভাগীয়ভাবে তদন্তাধীন রয়েছে।"
- 📌 গত ১৩ আগস্ট একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন।
📰 বিস্তারিত
গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জিয়াউর হকের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণকারী সাবেক ইউপি সদস্য মো. জগৎ মিয়ার মৃত্যুর তিন মাস পর তার জাল স্বাক্ষর দিয়ে স্কুলের বিল-ভাউচারে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হিসেবে মো. জগৎ মিয়া স্কুলের বিভিন্ন সভায় অংশ নিতেন। কিন্তু মৃত্যুর তিন মাস পর তার জাল স্বাক্ষর দিয়ে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভায় উপস্থিত করে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। এলাকায় এই ঘটনার কারণে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ দায়ের করেছেন বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ইয়াসমিন আক্তারসহ ১৩ জন স্থানীয় ব্যক্তি। তারা গত ২০ আগস্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক মো. জিয়াউর হক অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা সুলতানা জানিয়েছেন, অভিযোগটি তিনিও পেয়েছেন এবং বিষয়টি বিভাগীয়ভাবে তদন্তাধীন রয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল আজমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, গত ১৩ আগস্ট একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন।
"আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।"
"অভিযোগটি আমিও পেয়েছি। বিষয়টি বিভাগীয়ভাবে তদন্তাধীন রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোবিন্দশ্রী ইউনিয়ন, মদন উপজেলা, নেত্রকোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জিয়াউর হক (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক), মো. জগৎ মিয়া (মৃত ইউপি সদস্য), ইয়াসমিন আক্তার (সাবেক সভাপতি), ফাতেমা সুলতানা (উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ অক্টোবর ২০২২ (মৃত্যু তারিখ), ৫৬ বছর (মৃত্যুর বয়স), ২০ আগস্ট (অভিযোগ দায়েরের তারিখ), ১৩ জন (অভিযোগকারী ব্যক্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!