📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বদলির আগের রাতে সরকারি সম্পদ লুটের অভিযোগ ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

বদলির আগের রাতে সরকারি সম্পদ লুটের অভিযোগ ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় সরকারি পুকুর থেকে রাতের আঁধারে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভূমি কর্মকর্তা মো. আল আমিনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বদলির আদেশ পাওয়ার পরই তিনি এই কাজ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি পুকুর থেকে রাতের আঁধারে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা মো. আল আমিন জলাবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহ আগে তাঁকে একই উপজেলার গুয়াখেরা ইউনিয়নে বদলি করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অভিযুক্ত কর্মকর্তা: মো. আল আমিন (তহশিলদার, জলাবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিস)
  • 📌 অভিযোগ: বদলির আদেশ পাওয়ার পর রাত তিনটার দিকে সরকারি পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়া
  • 📌 চুক্তির পরিমাণ: ৫ হাজার টাকা
  • 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ: সরকারি সম্পদ লুটের শামিল এই কর্মকর্তার কাজ

📰 বিস্তারিত

স্থানীয় বাসিন্দা শামসুল ইসলাম খান জানান, সরকারি পুকুর থেকে মাছ ধরার জন্য তহশিলদার আল আমিন জেলেদের সঙ্গে ৫ হাজার টাকায় চুক্তি করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারি পুকুরের মাছ ধরার জন্য নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে, যা রাতের আঁধারে মাছ ধরে নেওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী খোকন দাস দাবি করেন, আল আমিন তাঁকে বলেছিলেন, ‘পাঁচ হাজার টাকা দেব, রাত তিনটার দিকে পুকুরের সব মাছ ধরে দিতে।’ তাঁর কথামতো সাতজন লোক ঠিক করে প্রায় রাত তিনটার দিকে বিশাল জাল টেনে আড়াই বস্তা মাছ ধরে দিয়েছেন। কিন্তু মাছ ধরার পর তাঁকে দুটি ছোট মাছ দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং মজুরির টাকা এখনো দেওয়া হয়নি।

জলাবাড়ি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম চৌকিদার বিধান কুমার জানান, রাতে মাছ ধরার খবর পেয়ে তিনি ভূমি অফিসে গিয়ে দেখেন, মাছ ভাগ-বাটোয়ারা হয়ে গেছে। পরে সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি। এরপর সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) বিষয়টি জানালে তিনি রাতে মাছ ধরার কোনো বিধান নেই বলে জানান।

জলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেহেদী সরোয়ার বলেন, একজন সরকারি কর্মচারী রাতের আঁধারে সরকারি পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে যাওয়া চুরির শামিল। তাঁর দাবি, পূর্বেও এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি জায়গায় কচু চাষ করে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টির জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

"দিনে আমার অফিসের কাজ থাকে। তা ছাড়া লেবার পাওয়া যায় না। তাই ভোররাতে মাছ ধরেছি। বিশ থেকে পঁচিশ কেজি মাছ পেয়েছি।"

নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান মাহামুদ জানান, জলাবাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নিজস্ব পুকুরে মাছ ধরার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে রাতের আঁধারে মাছ ধরাটা ঠিক হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও জানান, এখানে কোনো অসংগতি হয়ে থাকলে অবশ্যই বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেছারাবাদ, পিরোজপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আল আমিন (তহশিলদার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার টাকা (চুক্তির পরিমাণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖