📌 লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলায় রাজনৈতিক বিরোধে যুবদল কর্মী খোরশেদ আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। দুজন আটক করা হয়, তাদের মধ্যে একজন পার্বতীনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা। হত্যাকারী দলের নেতৃত্বে ছিলেন ওয়ালিদ।
লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলায় রাজনৈতিক বিরোধের জেরে যুবদল কর্মী খোরশেদ আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলশাদপুর এলাকায় ঘটে এই হত্যাকাণ্ড। দুজনকে আটক করা হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন হলেন পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলশাদপুর গ্রামের বক্স আলী ভূঁইয়ার ছেলে ইব্রাহিম ছুট্টু।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ অক্টোবর লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলায় যুবদল কর্মী খোরশেদ আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়
- 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল ছিল পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলশাদপুর এলাকার খাঁনের বাড়ির পাশ
- 📌 দুজন আটক করা হয়েছে: ইব্রাহিম ছুট্টু (পার্বতীনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা) ও মাসুদ রানা (বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের বাসিন্দা)
- 📌 হত্যাকারী দলের নেতৃত্বে ছিলেন ওয়ালিদ এবং দলের সদস্য ছিলেন মান্না, কামরুল, বাচ্চু, হিরু, জহির সহ আরও পাঁচ-ছয়জন
- 📌 খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ একাধিক মামলা ছিল
- 📌 হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে স্থানীয়রা দাবি করেছেন: ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় তিনি মাটির ব্যবসা শুরু করলে বিরোধের জেরে ঘটনা ঘটে
📰 বিস্তারিত
লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলায় বুধবার দুপুরে পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলশাদপুর এলাকায় যুবদল কর্মী খোরশেদ আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, খোরশেদ আলমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে দিলশাদপুর খাঁনের বাড়ির পাশে গুলি করা হয়। তার বুকে একাধিক গুলি লাগে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খোরশেদ আলম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি এলাকায় মাটির ব্যবসা শুরু করেন। এ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মো. মোরশেদ আলম ও মজিদ হোসেনের গ্রুপের সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলছিল।
পুলিশের অতিরিক্ত সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, বুধবার দুপুরে পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলশাদপুর এলাকায় খোরশেদ আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, একই এলাকার ওয়ালিদের নেতৃত্বে মান্না, ইব্রাহিম ছুট্টু, কামরুল, বাচ্চু, হিরু, জহিরসহ আরও পাঁচ থেকে ছয়জন সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করেন। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ খোরশেদ আলমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফনের কথা রয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি।
"বুধবার দুপুরে পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলশাদপুর এলাকায় খোরশেদ আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওয়ালিদের নেতৃত্বে একটি দল তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা, পার্বতীনগর ইউনিয়ন, দিলশাদপুর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খোরশেদ আলম (নিহত), ইব্রাহিম ছুট্টু ও মাসুদ রানা (আটক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ অক্টোবর, ৫ আগস্ট, ৫-৬ জন হত্যাকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!