📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে অপ্রতিমের মৃত্যুতে তিনি আর্তনাদ করছেন। এমপি মনিরুল হক চৌধুরী পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়ে তাদের দুঃখ দেখে কাঁদতে থাকেন। বাবাও বলছেন, ফোন নেওয়ার জন্য ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে
কুমিল্লায় মৃত্যুর পর উদ্ধারকৃত অপ্রতিমের মা নাহিদা বেগম আর্তনাদ করছেন। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়ে তাদের দুঃখের মুখ দেখতে পান। সেখানে নাহিদা বেগমের কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, 'আমি কোন দেশে থাকি? এটা কোন দেশ? একটা ছেলে বের হলে তাকে মেরে ফেলতে হবে?'
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে অপ্রতিমের মৃত্যুতে তিনি আর্তনাদ করছেন, 'আমি বাঁচব কীভাবে? আমার তো একটাই ছেলে!'
- 📌 এমপি মনিরুল হক চৌধুরী শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়ে তাদের দুঃখ দেখে কাঁদতে থাকেন।
- 📌 অপ্রতিমের বাবাও বলছেন, 'ফোন নেওয়ার জন্য মেরে ফেললো আমার ছেলেকে!'
- 📌 উপস্থিত এমপি মনিরুল হকও হতবিহ্বল হয়ে চোখের জল মুছতে দেখা যায়।
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে অপ্রতিমের মৃত্যুতে তিনি আর্তনাদ করছেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়ে তাদের দুঃখের মুখ দেখতে পান। নাহিদা বেগম বলছিলেন, 'আমি কোন দেশে থাকি? এটা কোন দেশ? একটা ছেলে বের হলে তাকে মেরে ফেলতে হবে?' তিনি আর্তনাদ করতে থাকেন, 'আমি বাঁচব ক্যামনে? আমার তো একটাই ছেলে! আমি ক্যামনে আমার জীবন কাটাব? আমি আমার জীবন পার করবো ক্যামনে?'
অপ্রতিমের বাবাও উপস্থিত ছিলেন এবং অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, 'ফোনটা নেওয়ার জন্য মেরে ফেললো আমার ছেলেকে!' এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উপস্থিত এমপি মনিরুল হক চৌধুরীও হতবিহ্বল হয়ে চোখের জল মুছতে দেখা যায়।
"আমি কোনো বিচার মানিনা। আমাকে উত্তর দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিদা বেগম (অধ্যাপক), মনিরুল হক চৌধুরী (এমপি), অপ্রতিমের বাবা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!