📌 কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার শরীফপুর হাওরে নির্মিত ব্রিজের সংযোগ সড়কের মাটি বর্ষায় সরে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা ২০-২৫ দিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। ব্রিজের সংযোগস্থলে মাটি না থাকায় গবাদিপশুকে নদী সাঁতরে পার করতে হচ্ছে
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার শরীফপুর হাওরে নির্মিত একটি ব্রিজের সংযোগ সড়কের মাটি বর্ষায় সরে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের চলাচল ও জীবিকা নির্বাহে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দাবি, দ্রুত মাটি ভরাট ও সংযোগস্থল মেরামত না হলে চলাচলে আরও দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার শরীফপুর হাওরে নির্মিত ব্রিজের সংযোগ সড়কের মাটি বর্ষায় সরে গিয়ে বড় ফাঁকা জায়গা তৈরি করেছে।
- 📌 ২০-২৫ দিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকরা।
- 📌 গবাদিপশুকে নদী সাঁতরে পার করতে হচ্ছে, কারণ ব্রিজের সংযোগস্থলে মাটি না থাকায় সরাসরি পারহাজার সম্ভব নয়।
- 📌 হারিছ মিয়া বলেছেন, ‘গত বছর নিজেরা চাঁদা তুলে রাস্তা মেরামত করেছিলাম, কিন্তু বর্তমান ইউপি সদস্য কোনো বরাদ্দ দিতে অস্বীকার করেছেন।’
- 📌 মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেছেন, উপজেলা প্রকৌশলীকে পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বর্ষা মৌসুমে শরীফপুর হাওরে নির্মিত ব্রিজের সংযোগস্থলের মাটি সরে গিয়ে বড় ফাঁকা জায়গা তৈরি করেছে। এতে স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের চলাচল ও জীবিকা নির্বাহে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় কৃষক হারুনূর রশিদ বলেছেন, ‘জমিতে চাষাবাদ করেছি, কিন্তু প্রয়োজনীয় সার নিয়ে যেতে পারছি না। ব্রিজের এক পাশে গাড়িতে করে কৃষি উপকরণ এনে অন্য পাশে মাথায় করে জমিতে নিতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে।’
বর্ষার পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর থেকে ব্রিজটি দিয়ে চলাচল করা যাচ্ছে না। স্থানীয় কৃষক মজনু মিয়া জানিয়েছেন, ‘ব্রিজের সংযোগস্থলে মাটি না থাকায় নদী সাঁতরে গরু পার করতে হচ্ছে। এতে গবাদিপশুদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা বকুল মিয়া বলেছেন, ‘গত ২০ থেকে ২৫ দিন ধরে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ব্রিজের সংযোগস্থলে বড় ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে, যা চলাচল ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়েছে।’
এ বিষয়ে মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেছেন, ‘এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে সরেজমিনে পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। তবে উপজেলা প্রকৌশলী ফয়জুর রাজ্জাকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।’
"এই এলাকায় হাজার হাজান একর ফসলি জমি রয়েছে। কৃষি উপকরণ, যন্ত্রপাতি ও সার আনা-নেওয়া করতে না পারায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। গত বছর সরকারি বরাদ্দ না পেয়ে নিজেরা চাঁদা তুলে ও স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করেছিলাম। বর্তমান ইউপি সদস্যকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এবার কোনো বরাদ্দ আসবে কি না। তিনি না করে দিয়েছেন। মানুষের যে কী কষ্ট হচ্ছে! দ্রুত মাটি ভরাট করার জোর দাবি জানাচ্ছি।" — হারিছ মিয়া
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিঠামইন উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হারিছ মিয়া, মজনু মিয়া, বকুল মিয়া, হারুনূর রশিদ, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-২৫ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!