📌 খুলনা মহানগরে তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরিবার অভিযোগ করে ছাত্রদল নেতা আরাফাত হোসেনের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়
খুলনা মহানগরে তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে সন্ধ্যায় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তাঁর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘ইল ক্যান্টিনে’ তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত হুমায়ুন কবির সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে এবং খুলনা মহানগর তাঁতী দলের নেতা ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক **হুমায়ুন কবির**কে রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘ইল ক্যান্টিনে’ কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
- 📌 **১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রদল নেতা আরাফাত হোসেনের** নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করে পরিবার।
- 📌 নিহত হুমায়ুন কবিরের ভাতিজা **সৈয়দ দিদারুল আলম বিপ্লব** অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
- 📌 খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়।
- 📌 খালিশপুর ও আড়ংঘাটা থানার সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, তবে আড়ংঘাটা থানার ওসি **আলিমুর রহমানের** নম্বরে কল করা হলেও সেটি রিসিভ হয়নি।
- 📌 খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার **সুদর্শন কুমার রায়** ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছেন।
📰 বিস্তারিত
রোববার সন্ধ্যায় খুলনা মহানগরের রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে হুমায়ুন কবির তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘ইল ক্যান্টিনে’ বসে ছিলেন। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত দেশি অস্ত্র, রামদা ও চাপাতি নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করার পাশাপাশি বুকে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত হুমায়ুন কবিরের পরিবার ও ভাতিজা **সৈয়দ দিদারুল আলম বিপ্লব** অভিযোগ করেন, নগরীর **১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রদল নেতা আরাফাত হোসেনের** নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর দাবি, হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।
হুমায়ুন কবির আগামী **কেসিসির নির্বাচনে** একই ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তিনি খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। দলের আহ্বায়ক **আবু সাঈদ শেখ** জানান, হুমায়ুন কবির খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) **সৈয়দ শাহজাহান আলী** জানান, ঘটনাটি খালিশপুর ও আড়ংঘাটা থানার সীমান্তবর্তী এলাকা হলেও ঘটনাস্থল আড়ংঘাটা থানা এলাকায় ঘটেছে। তবে আড়ংঘাটা থানার ওসি **আলিমুর রহমানের** নম্বরে কল করা হলেও সেটি রিসিভ হয়নি। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার **সুদর্শন কুমার রায়** ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করেছেন। তিনি বলেছেন, হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
"নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রদল নেতা আরাফাত হোসেনের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে চাচাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা মহানগর, রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে ‘ইল ক্যান্টিন’
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুমায়ুন কবির, সৈয়দ দিদারুল আলম বিপ্লব, আরাফাত হোসেন, আবু সাঈদ শেখ, সুদর্শন কুমার রায়, সৈয়দ শাহজাহান আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!