📌 কেন্দুয়ায় প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রাহকদের জীবন অতিষ্ঠ। একইসঙ্গে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন তারা। পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা অবশ্য লোডশেডিংয়ের কারণ হিসেবে সরবরাহ ঘাটতি উল্লেখ করেছেন
কেন্দুয়ায় প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রাহকদের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। একইসঙ্গে স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণ-তিনগুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল আসায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুতের লোডশেডিং হচ্ছে কেন্দুয়ায়।
- 📌 স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল আসছে গ্রাহকদের কাছে।
- 📌 মাসের পর মাস লাইট, ফ্যান বন্ধ থাকলেও তিন থেকে চারগুণ বেশি বিল কষা হচ্ছে।
- 📌 লোডশেডিং ও অস্বাভাবিক বিলের কারণে গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংয়ের পরেও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে অসহায় হয়ে পড়েছেন কেন্দুয়ার পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা। প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুতের লোডশেডিং হচ্ছে। অথচ স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ, তিনগুণ বিল বেশি আসছে। এমনকি মাসের পর মাস লাইট, ফ্যান বন্ধ থাকলেও মিটারে তিন থেকে চারগুণ বিল বেশি কষা হচ্ছে। ফলে গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। তার ওপর আবার অস্বাভাবিক বিলে অসহায় হয়ে পড়েছেন গ্রাহকরা। অফিসে গেলে সাত-পাঁচ বুঝিয়ে দেয়া হয় গ্রামের সহজ-সরল গ্রাহকদের। ফলে বিদ্যুতের প্রতি মানুষের আস্থাহীনতা কাজ করছে।
উপজেলার পৌরসদরের মদিনাবাগ মহল্লার মন্জুরা আক্রান্ত লিলি বলেন, ‘অন্য মাসের চেয়ে গত মাসে আমার বিদ্যুৎ বিল অনেক বেশি এসেছে। এরকম অস্বাভাবিক বিলের শিকার অসংখ্য গ্রাহক।’ ক্ষোভ প্রকাশ করে পৌর সদরের টেংগুরী মহল্লার হৃদয় চাঁদ বলেন, ‘একদিকে লোডশেডিং অন্যদিকে অস্বাভাবিক বিল, এমন যন্ত্রণাদায়ক বিদ্যুৎ মানুষের দরকার নাই।’
‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুবই কম, তাই লোডশেডিং হচ্ছে। আর অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে যারা আসছেন, যাচাই করে তাদের বিল সমন্বয় করা হচ্ছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেন্দুয়া, কেন্দুয়া উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকৌশলী ওমর ফারুক (পল্লী বিদ্যুতের কেন্দুয়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার), মন্জুরা আক্রান্ত লিলি, হৃদয় চাঁদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!