📌 যশোরের শার্শা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে দুই শিশুসন্তানকে হত্যার পর গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন তাদের বাবা কামাল হোসেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তিনজনের মরদেহ
যশোরের শার্শা উপজেলার চটকাপোতা গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে দুই শিশুসন্তানকে হত্যার পর গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন তাদের বাবা কামাল হোসেন (৪৫)। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোরের শার্শা উপজেলার চটকাপোতা গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে দুই শিশুসন্তান হত্যার ঘটনা ঘটে
- 📌 নিহত দুই শিশুর নাম ছাবির (৪) ও জাবির (২), তাদের বাবা কামাল হোসেন (৪৫)
- 📌 ঘটনাস্থলে কামাল হোসেনের মরদেহ পড়ে ছিল, ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল দুই শিশুর মরদেহ
- 📌 প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিবাদের জেরে মানসিক হতাশা থেকে এই ঘটনা ঘটেছে
📰 বিস্তারিত
যশোর জেলার শার্শা উপজেলার চটকাপোতা গ্রামে আজ মঙ্গলবার বিকেলে ঘটে যাওয়া এই ট্র্যাজেডিতে নিহত হন কামাল হোসেন ও তার দুই পুত্র। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামাল হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রী রাবেয়া বেগমের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরে এক সপ্তাহ আগে নিজের দুই শিশুসন্তানকে রেখে বাবার বাড়িতে চলে যান রাবেয়া।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় লোকজন জানান, বিকেলে কামাল হোসেনের দোচালা টিনের ঘরের একটি কক্ষে কাঠের আড়ার সঙ্গে বড় ছেলে ছাবিরের এবং সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ছোট ছেলে জাবিরের ঝুলন্ত মরদেহ দেখা যায়। একই সময় বাড়ির দক্ষিণ পাশে কামাল হোসেনের মরদেহ পড়ে ছিল।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক প্রথম আলোকে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিবাদের জেরে চরম মানসিক হতাশা থেকে সন্তানদের হত্যার পর কামাল হোসেন বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
"ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় দুই শিশুর মরদেহ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে বাড়ির পাশে কামাল হোসেনের মরদেহ পড়ে ছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।"
ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চটকাপোতা, শার্শা উপজেলা, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামাল হোসেন (৪৫), ছাবির (৪), জাবির (২)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!