📌 নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে যৌথ অভিযান চালায় প্রশাসনের টাস্কফোর্স। অভিযানে ব্যবহৃত ১৬টি নৌকা ও চারটি খননযন্ত্র ধ্বংস করা হয়। নদীর তলদেশে বিপজ্জনক গর্ত সৃষ্টি ও ভাঙনের ঝুঁকি বৃদ্ধির অভিযোগে অভিযান পরিচালিত হয়
নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসনের টাস্কফোর্স। আজ মঙ্গলবার বিকেল ২টায় শুরু হওয়া অভিযানে পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত ১৬টি নৌকা ও চারটি খননযন্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযান পরিচালিত হয় তিস্তা নদীর একাধিক পয়েন্টে
- 📌 ধ্বংস করা হয়েছে ১৬টি নৌকা ও চারটি খননযন্ত্র
- 📌 অভিযানের নেতৃত্ব দেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান
- 📌 নদীপারের বাসিন্দারা জানান দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ পাথর উত্তোলন চলছিল
📰 বিস্তারিত
তিস্তা নদীর তলদেশে অবৈধ পাথর উত্তোলনের ফলে বিপজ্জনক গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া নদী তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের ঝুঁকিও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। অভিযানকালে তিস্তা নদীর বিভিন্ন অংশে অবৈধ পাথর উত্তোলনকারী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ইউএনও মো. ইমরানুজ্জামান জানান, অভিযানে অংশ নেন রংপুর বিজিবির মেজর জুলকার নাঈন ও ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার।
তিনি আরও বলেন, ‘অভিযানকালে পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত নৌকা ও খননযন্ত্রগুলো ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়েছে। পাথর উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা, যারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন।
‘অভিযানকালে পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত নৌকা ও খননযন্ত্রগুলো ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়েছে। পাথর উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলা, তিস্তা নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউএনও মো. ইমরানুজ্জামান, ওসি শওকত আলী সরকার, মেজর জুলকার নাঈন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬টি নৌকা, ৪টি খননযন্ত্র
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!