📌 ফরিদপুরের মধুখালীতে চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের এক কিশোরকে চুরির অভিযোগে হাত-পা ও চোখ-মুখ বেঁধে নির্মম নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিশোরটির শরীরের পেছনের অংশে কোমরের নিচে পুরো নিতম্ব কালচে হয়ে রক্তক্ষরণসহ মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঘটনার স্থান: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়ন
- 📌 নির্যাতনের সময়কাল: ৩০ আগস্ট রাত ৯টা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত
- 📌 নির্যাতনকারীরা: মুন্না মোল্লা (২২) ও ইশারত মোল্লা (৫৫), মুড়ির মিলের মালিক
- 📌 ক্ষতের বিবরণ: কোমরের নিচে পুরো নিতম্ব কালচে ও রক্তক্ষরণ, বসতে না পারায় কাত হয়ে থাকতে হচ্ছে
- 📌 অভিযোগের বিষয়: কিশোরটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন মালামাল চুরির অভিযোগ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের এক কিশোরকে চুরির অভিযোগে নির্মমভাবে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুড়ির মিলের মালিক ইশারত মোল্লা ও তার ছেলে মুন্না মোল্লা তাকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রাখেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
কিশোরটির পরিবারের অভিযোগ, তাকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে লোহার পাইপ দিয়ে নির্মমভাবে পেটানো হয়েছে। তার শরীরের পেছনের অংশে কোমরের নিচে পুরো নিতম্ব কালচে হয়ে রক্তক্ষরণসহ মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি বসতে না পারায় তাকে সারাক্ষণ কাত হয়ে থাকতে হচ্ছে বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।
ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে ইশারত মোল্লা স্বীকার করেন যে, কিশোরটি এলাকায় বিভিন্ন মালামাল চুরি করে থাকে। তিনি বলেন, ‘ওই ছেলেটি এলাকায় বিভিন্ন মালামাল চুরি করে থাকে। আমার ঘরের কাজের রড চুরি করেছে কিন্তু ধরতে পারি না। ওই দিন ছাদে গিয়ে হাতেনাতে ধরেছি। তখন আমার ছেলে ও দুই ভাতিজা চড়থাপ্পড় দিয়েছে।’
এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করে কিশোরটির দাদি রহিমা বেগম বলেন, ‘ওরে আমিই কোলেপিঠে বড় করেছি, কোনো দিন কারও কিছু চুরি করে নাই। ওই দিন অনেক রাত হলে বাড়িতে না আসায় আমরা খুঁজতে বের হই। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই মিলের নিচে গোঙানির শব্দ পেয়ে দৌড়ে যাই।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মধুখালী উপজেলা, নওপাড়া ইউনিয়ন, ফরিদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইশারত মোল্লা (৫৫), মুন্না মোল্লা (২২), কিশোর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আগস্ট (রাত ৯টা থেকে রাত সাড়ে ১২টা), ইশারত মোল্লার বয়স ৫৫, মুন্না মোল্লার বয়স ২২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!