📌 ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় গ্রাম্য দলের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়। সোনাপুর ও রাঙ্গারদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা থেকে বিকেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় গ্রাম্য দলের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ সংঘর্ষে সোমবার বিকেলে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল সোনাপুর বাজার, যেখানে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, এই সংঘর্ষের পেছনে ছিল সালথার আধিপত্য নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সালথা উপজেলার সোনাপুর ও রাঙ্গারদিয়া গ্রামে গ্রাম্য দলের মধ্যে সংঘর্ষে ২০ জন আহত
- 📌 সোমবার বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সোনাপুর বাজারে সংঘর্ষ শুরু হয়
- 📌 জয়নাল প্রফেসরের সমর্থকদের সঙ্গে টুকু মাতুব্বর ও ফজলু মাতুব্বরের অনুসারীদের মধ্যে হামলা-প্রতিহামলা
- 📌 আহতদের মধ্যে ৮-১০ জন ফুকরা গ্রামের, ৯-১০ জন সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা
- 📌 সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে
📰 বিস্তারিত
সালথা উপজেলার সোনাপুর ও রাঙ্গারদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা সোমবার বিকেলে সংঘর্ষে পরিণত হয়। সোনাপুর বাজারে জয়নাল প্রফেসরের সমর্থকদের সঙ্গে রাঙ্গারদিয়া গ্রামের টুকু মাতুব্বর ও ফুকরা গ্রামের ফজলু মাতুব্বরের অনুসারীদের মধ্যে হামলা-প্রতিহামলা শুরু হয়। ফুকরা গ্রামের ফজলু মাতুব্বর জানান, রাঙ্গারদিয়া গ্রামের টুকু মাতুব্বর সোনাপুর বাজারে চা খেতে এলে জয়নাল প্রফেসরের সমর্থকরা হামলা চালায়। তিনি হামলা ঠেকাতে গেলে তার ওপরও হামলা হয়। এরপর সংঘর্ষ বাঁধে এবং উভয় গ্রুপের অন্তত ২০ জন আহত হয়।
সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রফেসর জয়নাল মোল্যা জানান, তিনি ফরিদপুরে থাকলেও শুনেছেন তার চাচাতো ছোটভাই আরিয়ান হাসান হৃদয় সোনাপুর বাজারে গেলে ফজলু মাতুব্বর ও টুকু মাতুব্বরের অনুসারীদের মারধর করে। এরপর সংঘর্ষ শুরু হয়। তিনি বলেন, এই ঘটনায় তার গ্রুপের ৯-১০ জন লোক আহত হয়েছে।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"বিকেলে রাঙ্গারদিয়া গ্রামের টুকু মাতুব্বর সোনাপুর বাজারে চা খেতে এলে জয়নাল প্রফেসরের সমর্থকরা হামলা করে। আমি হামলা ঠেকাতে গেলে আমার ওপরও হামলা চালায়। পরে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এঘটনায় আমাদের ৮/১০ জন লোক ইটের আঘাতে আহত হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সালথা উপজেলা, ফরিদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফজলু মাতুব্বর, টুকু মাতুব্বর, প্রফেসর জয়নাল মোল্যা, আরিয়ান হাসান হৃদয়, ওসি মো. বাবলুর রহমান খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন আহত, ৮-১০ জন ফুকরা গ্রামের বাসিন্দা, ৯-১০ জন সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!