📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহীর পুঠিয়ায় সার সংকটে চাষিরা সড়ক অবরোধ

রাজশাহীর পুঠিয়ায় সার সংকটে চাষিরা সড়ক অবরোধ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহীর পুঠিয়ায় সার কম দেওয়ার অভিযোগে চাষিরা সড়ক অবরোধ করেছেন। পরে প্রশাসনের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সার কম দেওয়ার অভিযোগে চাষিরা সড়ক অবরোধ করেছেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত তাঁরা উপজেলার বানেশ্বরে রাজশাহী-নাটোর সড়ক অবরোধ করেন। চাষিরা বলেন, এক মাস পর তাঁরা আজ সকালে সার নিতে আসেন। তবে মাত্র ১০ কেজি করে ডিএপি সার দেওয়া হচ্ছে। এ সারে তাঁদের কিছুই হবে না। এ কারণে তাঁরা সড়ক অবরোধ করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও পুলিশ তাঁদের বুঝিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাষিরা সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করেন
  • 📌 চাষিদের মাত্র ১০ কেজি করে ডিএপি সার দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ
  • 📌 উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ডিলার ১৬০ বস্তা ডিএপি, ৭২ বস্তা টিএসপি ও ৯৬ বস্তা এমওপি সার বরাদ্দ পেয়েছেন
  • 📌 চাষিরা ২৫ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি টিএসপি ও ১৫ কেজি এমওপি সার পান

📰 বিস্তারিত

উপজেলার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চাষিরা এ সার পাবেন। কিন্তু চাষিদের ১০ কেজি করে ডিএপি সার দিতে চাওয়ার কারণে তাঁরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। বিড়ালদহ গ্রামের চাষি দুলু মিয়া বলেন, তাঁদের ১ হাজার ২০০ টাকা বস্তার সার ২ হাজার ২০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়। সার ডিলাররা তাঁদের সার কম দিয়ে ওই সার খুচরা ডিলারদের কাছে বিক্রি করে দেন। পরে সেই খুচরা ডিলারদের কাছ থেকে তাঁদের বেশি দামে সার কিনতে হয়।

সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে বেলা ১১টার পরপরই ইউএনও লিয়াকত সালমান, কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানি সরকার ও পুঠিয়া থানার পুলিশ এসে অবরোধ প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করেন। তাঁরা চাষিদের নিয়ে বানেশ্বর ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে বসে তাঁদের বোঝান। পরে তাঁদের ডিএপি ২৫ কেজি, টিএস ১০ কেজি ও ১৫ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভোর ৬টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সকাল ১০টার দিকে বিসিআইসির ডিলার ওছমান আলী বলেন, সার শেষ। আমরা সার না পেলে জমি রক্ষা করব কীভাবে? সিন্ডিকেট করে আমাদের পকেট কাটা হচ্ছে। আমরা এর বিচার চাই।’

‘ভোর ৬টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সকাল ১০টার দিকে বিসিআইসির ডিলার ওছমান আলী বলেন, সার শেষ। আমরা সার না পেলে জমি রক্ষা করব কীভাবে? সিন্ডিকেট করে আমাদের পকেট কাটা হচ্ছে। আমরা এর বিচার চাই।’ — কৃষক রফিকুল ইসলাম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চাষি দুলু মিয়া, কৃষক রফিকুল ইসলাম, ইউএনও লিয়াকত সালমান, কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানি সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কেজি, ১৬০ বস্তা, ৭২ বস্তা, ৯৬ বস্তা, ১ হাজার ২০০ টাকা, ২ হাজার ২০০ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖