📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরে চুরির মিথ্যা অভিযোগে শিশুকে নির্মম নির্যাতন, পরিবারের দাবি বিচার চাই

ফরিদপুরে চুরির মিথ্যা অভিযোগে শিশুকে নির্মম নির্যাতন, পরিবারের দাবি বিচার চাই

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুরের মধুখালীতে চুরির মিথ্যা অভিযোগে এক শিশুকে হাত-পা ও চোখ-মুখ বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে মুড়ির কারখানার মালিক ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে। আহত শিশুটি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্তরা ঘটনা অস্বীকার না করলেও পরিবারের দাবি সুষ্ঠু বিচার চাইছেন

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় চুরির মিথ্যা অভিযোগে এক শিশুকে নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মুড়ির কারখানার মালিক ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফরিদপুরের মধুখালীতে চুরির অভিযোগে ১৪ বছর বয়সী শিশু তাওহিদ শেখকে নির্যাতনের অভিযোগ
  • 📌 অভিযুক্ত: মুড়ির কারখানার মালিক ইশারত মোল্যা (৫৫) ও তাঁর ছেলে মুন্না মোল্যা (২২)
  • 📌 শিশুটির হাত-পা ও চোখ-মুখ বেঁধে লোহার পাইপ দিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ
  • 📌 আহত তাওহিদ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
  • 📌 অভিযুক্ত ইশারত মোল্যা স্বীকার করেছেন যে তাঁর ছেলে ও দুই ভাতিজা শিশুটিকে চড়থাপ্পড় দিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

গত রোববার রাতে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের নওপাড়া কুরানিয়ার চর এলাকায় এক মুড়ির কারখানার দ্বিতীয় তলার ছাদে তাওহিদ শেখ নামে ১৪ বছর বয়সী এক শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির হাত-পা ও চোখ-মুখ বেঁধে লোহার পাইপ দিয়ে মারধর করা হয়েছে। রাত ৯টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে এই নির্যাতন চলে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁরা আহত অবস্থায় শিশুটিকে কারখানার নিচে ফেলে রাখা অবস্থায় খুঁজে পান। পরদিন সকালে তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তাওহিদ ক্যাজুয়ালটি ও নিউরোসার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার দাদি রহিমা বেগম, বাবা রুবেল শেখ ও মা শম্পা বেগমকে পাশে বসে কাঁদতে দেখা যায়।

তাওহিদ জানায়, ঘটনার দিন রাত ৯টার দিকে ফার্নিচারের দোকানের কাজ শেষে মুড়ির কারখানার সামনে দিয়ে বাড়ি ফিরছিল সে। এ সময় মুন্না মোল্যা তাকে ডেকে দ্বিতীয় তলার ছাদে নিয়ে যান। সেখানে ইশারত মোল্যাও উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে রশি দিয়ে তার হাত-পা ও চোখ বেঁধে লোহার রড দিয়ে চুরির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। চুরির কথা অস্বীকার করলে বাঁধা অবস্থায় তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ তাওহিদের। চিৎকার করলে কাপড় দিয়ে তাঁর মুখও বেঁধে দেওয়া হয় বলে জানায় সে।

"ওরে আমিই কোলেপিঠে বড় করছি, কোনো দিন কারও কিছু চুরি করে নাই। ওই দিন অনেক রাত পর্যন্ত বাড়িতে না আসায় আমরা খুঁজতে বাইর হই। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই মিলের নিচে গোঙানির শব্দ পেয়ে দৌড়ায় যাই। তখন আমরা মনে করছিলাম, ছাদ থেকে পড়ছে। পরে জ্ঞান ফিরলে ও বলে, হাত-পা ও চোখ-মুখ বাইন্ধা ইশারত আর তাঁর ছেলে ওরে মাইরা ফেলায় রাখছে। আমরা গ্রামের মাতুব্বরদের বইলাও বিচার পাই নাই। তাই প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মধুখালী, ফরিদপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাওহিদ শেখ (১৪), ইশারত মোল্যা (৫৫), মুন্না মোল্যা (২২)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর, ৫৫ বছর, ২২ বছর, রাত ৯টা থেকে মধ্যরাত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖