📌 নীলফামারীর ডোমারে জমিজমা বিরোধের জেরে এক ব্যক্তির গলা কেটে ও মুখে বিষ ঢেলে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর হত্যার শিকার ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান
নীলফামারীর ডোমারে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে ও মুখে বিষ ঢেলে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় একরামুল হকের (৬০)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নীলফামারীর ডোমারে গলা কাটা ও মুখে বিষ প্রয়োগে হত্যার শিকার একরামুল হক (৬০)
- 📌 সোমবার ভোরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন
- 📌 প্রাথমিক চিকিৎসার পর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর, সেখানে মৃত্যু
- 📌 নিহতের ভাতিজা জানান, জমিজমা বিরোধের কারণে হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে
- 📌 ডোমার থানার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আগে থেকেই জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল
📰 বিস্তারিত
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের হলহলিয়া তেলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা একরামুল হককে গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও মুখে বিষ প্রয়োগের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোররাতে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। এরপর তাকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন ডোমার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী।
নিহতের ভাতিজা রতন ইসলাম বলেন, ‘রাতে চাচা প্রস্রাব করতে বাড়ির বাইরে যান। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর চাচাতো ভাইয়েরা তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানান। ভোর পর্যন্ত খোঁজাখুঁজির পর একজন স্থানীয় ব্যক্তি জানান, চাচা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। সেখানে গিয়ে প্রথমে আমরা তাকে মৃত মনে করেছিলাম। পরে শরীর নাড়াচাড়া করলে জীবিত থাকার বিষয়টি বুঝতে পারি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ধারণা, গলা কাটার পর চাচার মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়েছিল।’
ডোমার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী জানান, ‘তাদের মধ্যে আগে থেকেই জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরে হয়তো তার গলা কেটে সেখানে রেখে যাওয়া হয়েছিল। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।’ তিনি আরও বলেন, ‘গত রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।’
‘তাদের মধ্যে আগে থেকেই জমিজমা-সংক্রান্ত একটি বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জের ধরে হয়তো তার গলা কেটে সেখানে রেখে যাওয়া হয়েছিল।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: একরামুল হক (৬০)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ থেকে ৪০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!