📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চিকিৎসকদের কাছ থেকে ডলারে চাঁদাবাজি চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার, হামলার ঘটনা প্রকাশ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আমিনুল হক আমিনুল হক
চিকিৎসকদের কাছ থেকে ডলারে চাঁদাবাজি চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার, হামলার ঘটনা প্রকাশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে ডলারে চাঁদাবাজির অভিযোগে চার সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিবি। চক্রটি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের অন্তত পাঁচজন চিকিৎসককে টার্গেট করেছিল বলে জানিয়েছেন ডিবি প্রধান

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে ডলারে চাঁদাবাজির অভিযোগে চার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবিপ্রধান) শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডিবির অভিযানে চার সদস্যের চাঁদাবাজি চক্র গ্রেপ্তার হয়েছে
  • 📌 চক্রটি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের অন্তত পাঁচজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে টার্গেট করেছিল
  • 📌 চিকিৎসকদের কাছ থেকে ডলারে চাঁদা দাবি করা হতো
  • 📌 চাঁদা না দেওয়ায় আসাদুর রহমানের ওপর হামলা চালানো হয়
  • 📌 চক্রটির নেতৃত্বে ছিলেন সানি সাহা, যিনি সিঙ্গাপুরে কর্মরত ছিলেন

📰 বিস্তারিত

ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, চক্রটি ফুড ডেলিভারি অ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করত। এরপর আর্থিকভাবে সচ্ছল চিকিৎসকদের মুঠোফোনে ডলারে চাঁদা দাবি করা হতো। চক্রটির সদস্যরা চিকিৎসকদের বাসা ও চেম্বারের ঠিকানা, সন্তানদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতেন বলে জানান তিনি।

গত ২৭ জুলাই ধানমন্ডির ৪ নম্বর সড়কে পাঁচ দুষ্কৃতকারী চিকিৎসক এ কে এম আমিনুল হককে হুমকি দেন। এরপর ১৭ আগস্ট রাতে শান্তিনগরে চিকিৎসক মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলা চালানো হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিরা পুলিশকে খবর দিলে পল্টন মডেল থানা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং জীবন ওরফে আদিল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে।

আসাদুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার কিছুদিন আগে একটি অপরিচিত মুঠোফোন নম্বর থেকে তাঁর কাছে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।

ডিবির তদন্তে জানা যায়, চক্রটির মূল ব্যক্তি সানি সাহা ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে কর্মরত ছিলেন। পরে তিনি হুন্ডির ব্যবসায় যুক্ত হয়ে পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েন। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তিনি চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন বলে জানান শফিকুল ইসলাম।

সানি সাহার নেতৃত্বে চক্রটি সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও টার্গেট করেছিল বলে জানান ডিবি প্রধান। এছাড়া অন্য একটি চক্র বিভিন্ন দূতাবাসে ই-মেইলের মাধ্যমে হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

"চক্রটি ফুড ডেলিভারি অ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করত। এরপর তাঁদের কাছ থেকে ডলারে চাঁদা দাবি করা হতো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুল ইসলাম, সানি সাহা, আসাদুর রহমান, এ কে এম আমিনুল হক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চারজন গ্রেপ্তার, ১৫ হাজার ডলার চাঁদা দাবি, ২৭ জুলাই ও ১৭ আগস্ট ঘটনা ঘটে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖