📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাদকাসক্ত ছেলের লাঠি আঘাতে বাবা নিহত: গাজীপুরের সাইটালিয়া গ্রামে হত্যাকাণ্ডের পেছনে পরিবারের ভাঙ্গন

মাদকাসক্ত ছেলের লাঠি আঘাতে বাবা নিহত: গাজীপুরের সাইটালিয়া গ্রামে হত্যাকাণ্ডের পেছনে পরিবারের ভাঙ্গন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সাইটালিয়া গ্রামে মাদকাসক্ত ছেলে আনোয়ার হোসেন তার বাবা আবদুস সামাদকে লাঠি আঘাতে নিহত করেছেন। ঘটনার পর পলাতক হয়ে গেছেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, মাদকের কারণে পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সাইটালিয়া গ্রামে মাদকাসক্ত ছেলের লাঠি আঘাতে তার বাবা আবদুস সামাদ (৬০) নিহত হন। ঘটনার পর পলাতক হয়ে গেছেন আনোয়ার হোসেন (৩৫)। প্রতিবেশী জুবেদা খাতুনের বর্ণনা অনুযায়ী, আনোয়ার তার বাবাকে লাঠি দিয়ে মারধর করে হত্যা করেছেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের মতে, মাদকের কারণে পরিবার ভেঙ্গে পড়ার পর আনোয়ার তার বাবার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে এই হত্যাকাণ্ডে লিপ্ত হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজীপুর শ্রীপুরের সাইটালিয়া গ্রামে মাদকাসক্ত ছেলে আনোয়ার হোসেন তার বাবা আবদুস সামাদকে লাঠি আঘাতে নিহত করেছেন। ঘটনা ঘটে গত রোববার রাত ৩টার দিকে।
  • 📌 আনোয়ারের স্ত্রী শারমিন আক্তার বলেছেন, মাদকের কারণে পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি স্বামীর নেশা ও নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেছেন।
  • 📌 স্থানীয়রা দাবি করেছেন, এলাকায় মাদকের বিস্তার বেড়েছে। পুলিশ মাদকসহ আসামিদের ধরে নিয়ে যাওয়ার পরও তারা আবার এলাকায় ফিরে আসে।
  • 📌 শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, মাদকসহ আসামি ছাড়া দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।

📰 বিস্তারিত

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সাইটালিয়া গ্রামের বন্নাভিটা এলাকায় গত রোববার রাত ৩টার দিকে মাদকাসক্ত ছেলে আনোয়ার হোসেন তার বাবা আবদুস সামাদকে লাঠি আঘাতে নিহত করেছেন। ঘটনার পর আনোয়ার পলাতক হয়ে গেছেন। প্রতিবেশী জুবেদা খাতুনের বর্ণনা অনুযায়ী, আনোয়ার তার বাবাকে লাঠি দিয়ে মারধর করে হত্যা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বাপে তো লাঠি নিয়ে ভয় দেখাইছে, বাড়ি দিচ্ছে না। বাপে মায়া করছে, পুতে মায়া করছে না। পুতে বাঁশ দিয়ে বাড়ি মাইরা দিচ্ছে। এক বাড়িতে মাটিতে পড়া গেছে। পড়া গিয়ে আর কোনো শব্দ নেই। এর পরেও বাড়াইছে...’

আবদুস সামাদ দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। বিদেশ থেকে ফিরে পিকআপ কিনে নিজেই সেটি চালাতেন। তাঁর একমাত্র ছেলে আনোয়ার হোসেনের তিন সন্তান রয়েছে। কিন্তু আনোয়ার কাজকর্ম না করায় তাঁর সন্তানদের লালনপালনের দায়িত্বও পালন করতেন দাদা আবদুস সামাদ। স্থানীয়রা জানান, মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার পর আনোয়ারের পরিবার ভেঙ্গে পড়েছে।

আনোয়ারের স্ত্রী শারমিন আক্তার বলেছেন, ‘মাদকের কারণে আমার পরিবারটা ধ্বংস হয়ে গেছে। মেয়ের জন্মের পর থেকেই স্বামীর মাদক গ্রহণের বিষয়টি বুঝতে পারতাম। নেশা করে গভীর রাতেও ঘুমাতেন না, আমাকে মারধর করতেন। আমাকে রক্ষা করতে গেলে শ্বশুরকেও মারধর করতেন।’ তিনি বলেন, ‘আমাকে যে মারত, অশ্লীল গালিগালাজ করত—এগুলা সব তাঁর বাপ শুনত। আমি ভয়ে বলতাম, ‘না আব্বা, আমাকে কিছু করে নাই, আপনি কাউকে ডাক দিয়েন না। এত রাতে মানুষ ঢুকলে সমস্যা হবে।’ কিন্তু আমার স্বামী আব্বাকে মাইরা শেষ করে দিয়েছেন।’

স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন। মো. মনির হোসেন বলেছেন, ‘মাদকের এই পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারলে শ্রীপুরের ঘরে ঘরে এমন আনোয়ারের জন্ম হবে।’ অন্যদিকে, মো. সোহাগ খান অভিযোগ করেছেন, ‘সাইটালিয়া-সুটিপাড়া এলাকায় রন্ধ্রে রন্ধ্রে মাদক ছড়িয়ে গেছে। পুলিশ মাদকসহ লোকজন ধরে নিয়ে যায়। এক-দেড় ঘণ্টা পর দেখি, আসামি আবার নিজের বাড়িতে হাজির। কীভাবে তারা ছাড়া পায়, তা আল্লাহ আর প্রশাসনই জানে।’

"‘বাপে তো লাঠি নিয়ে ভয় দেখাইছে, বাড়ি দিচ্ছে না। বাপে মায়া করছে, পুতে মায়া করছে না। পুতে বাঁশ দিয়ে বাড়ি মাইরা দিচ্ছে। এক বাড়িতে মাটিতে পড়া গেছে। পড়া গিয়ে আর কোনো শব্দ নেই। এর পরেও বাড়াইছে...’"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুর, শ্রীপুর উপজেলা, সাইটালিয়া গ্রাম, বন্নাভিটা এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুস সামাদ (৬০), আনোয়ার হোসেন (৩৫), জুবেদা খাতুন, শারমিন আক্তার, মো. মনির হোসেন, মো. সোহাগ খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ (আনোয়ারের বয়স), ৬০ (আবদুস সামাদের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖