📌 চট্টগ্রামের ষোলোশহর রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় ১০ বছর বয়সী শিশু রাহাতের মৃত্যু হয়। বাঁচাতে গিয়ে তার পিতা মিন্টুও নিহত হন। ঘটনায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটি মারা যায়
চট্টগ্রামের ষোলোশহর রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় দুঃখজনক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ১০ বছর বয়সী শিশু রাহাতের মৃত্যু হয় এবং তার পিতা দেলোয়ার হোসেন মিন্টু (৫৫) বাঁচাতে গিয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আজ শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেসের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের ষোলোশহর রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় ১০ বছর বয়সী শিশু রাহাতের মৃত্যু হয়
- 📌 বাঁচাতে গিয়ে তার পিতা দেলোয়ার হোসেন মিন্টু (৫৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হন
- 📌 চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু রাহাতের মৃত্যু নিশ্চিত হয়
- 📌 রাহাতের বাসা পাঁচলাইশ থানার ২ নম্বর গেট এলাকায় অবস্থিত
- 📌 ঘটনায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক ওয়ার্ডের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন জানান, রাহাতের মৃত্যু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটে। শিশুটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন কান্তি দে বলেন, রেললাইনের ওপর থাকা শিশুটিকে বাঁচাতে গিয়ে দুপুরে ট্রেনের ধাক্কায় একজন নিহত হন। শিশুটিও আহত হয়েছিল এবং সন্ধ্যায় মারা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজ শেষে দেলোয়ার হোসেন মিন্টু রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিলেন। একপর্যায়ে শিশু রাহাত রেললাইনের ওপর চলে যায়। ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস আসতে দেখে মিন্টু দৌড়ে যান শিশুটিকে বাঁচাতে। কিন্তু ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মিন্টুর মৃত্যু হয়।
রাহাতের বাসা পাঁচলাইশ থানার ২ নম্বর গেট এলাকায় অবস্থিত। শিশুটির বাবা আব্দুল মালেক সাহেবের বাসায় রাহাতের বাড়ি।
"আমি তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়েছিলাম। গভীর রাতে ৪ ব্যক্তি ঘরে ঢুকে আমাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। আমি আকবর ও সোহাগকে চিনতে পারলেও বাকি দুজনকে চিনতে পারিনি। আমি তাঁদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ষোলোশহর রেলক্রসিং, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিশু রাহাত (১০), দেলোয়ার হোসেন মিন্টু (৫৫), মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন, সুজন কান্তি দে (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর বয়সী শিশু, ৫৫ বছর বয়সী পিতা, ৪ জন আক্রমণকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!