📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জে টিকটক ভিডিও মন্তব্য নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সালিসের পর সংঘর্ষে ২০ জন আহত হন। দুর্গাপুর ইউনিয়নের আবিরপাড়া ও নাকরপাড়া গোষ্ঠীর মধ্যে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জে টিকটক ভিডিও মন্তব্য নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সালিসের পর সংঘর্ষে ২০ জনেরও বেশি আহত হন। আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বেলা তিনটার মধ্যে আশুগঞ্জ বাজারে আবিরপাড়া ও নাকরপাড়া গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যেখানে উভয় পক্ষের লোকজন দেশি অস্ত্র নিয়ে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০ জনেরও বেশি আহত — দুর্গাপুর ইউনিয়নের আবিরপাড়া ও নাকরপাড়া গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হন।
- 📌 টিকটক মন্তব্য ঝামেলা — গত বৃহস্পতিবার টিকটক ভিডিওতে মন্তব্য করা নিয়ে সোহাগপুর গ্রামের চার কিশোরের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।
- 📌 সালিসের পর সংঘর্ষ — সালিস বৈঠক শেষে পুলিশ চলে যাওয়ার পর উভয় পক্ষের লোকজন টেঁটা, বল্লম, এককাইট্টা, ছুরি ও লাঠিসোঁটাসহ অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
- 📌 পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ — আশুগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেলা তিনটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
- 📌 বিরোধী দলের অভিযোগ — আবিরপাড়া গোষ্ঠীর নেতা এমরান মোল্লা বলেন, বিএনপির একটি পক্ষ সংঘর্ষকে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাইছে।
📰 বিস্তারিত
আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রামের আবিরপাড়া ও নাকরপাড়া গোষ্ঠীর মধ্যে টিকটক ভিডিও মন্তব্য নিয়ে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গত বৃহস্পতিবার টিকটক ভিডিওতে মন্তব্য করা নিয়ে আবিরপাড়া গোষ্ঠীর মো. সিয়াম (১৭) ও ফাহাদ হোসেন (১৮) এবং নাকরপাড়া গোষ্ঠীর মো. আরিফ (১৬) ও আবু বক্কর (১৭) এর মধ্যে ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
গত শুক্রবার উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। আজ শনিবার সকালে বিষয়টি মীমাংসার জন্য আশুগঞ্জ বাজারে জহিরুল ইসলামের ধান-চালের আড়তে স্থানীয় মাতবর ও সরদারদের উপস্থিতিতে সালিস বৈঠক হয়। সালিস বৈঠকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সিরাজ ও আশুগঞ্জ থানা-পুলিশের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সালিস বৈঠক চলে।
সালিসে বিষয়টি মীমাংসা হলেও বৈঠক শেষে পুলিশ চলে যাওয়ার পর উভয় পক্ষের লোকজন টেঁটা, বল্লম, এককাইট্টা, ছুরি, দা, রামদা, লাঠিসোঁটাসহ দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় পুরো বাজার রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহত ব্যক্তিরা আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আবিরপাড়া গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন ব্যবসায়ী এমরান মোল্লা, মহিউদ্দিন মোল্লা ও নজরুল ইসলাম। অন্যদিকে নাকরপাড়া গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন জেলা অটো মেজর হাসকিং মিল মালিক সমিতি ও আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলামসহ কয়েকজন।
"টিকটকের ভিডিও নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। বিষয়টি সালিসের মাধ্যমে সমাধান হয়। পরে দুই কিশোর একে অপরকে মারধর করে। তখন আমরা মিলমালিকেরা একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলাম। ঝগড়ার কথা শুনে আমরা এগিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। কিন্তু বর্তমানে বিএনপির একটি পক্ষ এটিকে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাইছে।"
"আমি এখন কথা বলতে পারব না। পরে কথা বলব। এখন ফোন রাখি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আশুগঞ্জ বাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এমরান মোল্লা, জহিরুল ইসলাম, শাহজাহান সিরাজ, মো. আনিসুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন আহত, ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত সংঘর্ষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!