📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কর্মীদের চড়থাপ্পড় মারেন যুবদল নেতা নাজমুল হুদা। ফোন না ধরায় কর্মীদের মারধর করে তিনি। ঘটনায় কাউন্টার ২ ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়, যাত্রীদের দুর্ভোগ হয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক ও বুকিং ক্লার্ককে চড়থাপ্পড় মারেন যুবদল নেতা নাজমুল হুদা। ঘটনায় স্টেশনের টিকিট কাউন্টার ২ ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রেলওয়ে পুলিশের ইনচার্জ বলেছেন, ভুক্তভোগীরা এখনো অভিযোগ করেননি, তবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১টা ৩০ মিনিটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন আহমেদ ও বুকিং ক্লার্ক কাউসার হোসেনকে চড়থাপ্পড় মারেন যুবদল নেতা নাজমুল হুদা ওরফে সানি।
- 📌 ফোন না ধরায় কর্মীদের মারধর করে সানি বলেন, “ফোন ধরিস না কেন”।
- 📌 ২ ঘণ্টা কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে যাত্রীদের টিকিট বিক্রি বন্ধ পড়ে।
- 📌 ৭৫ টাকা মূল্য থাকা সত্ত্বেও, কালোবাজারিতে টিকিটের দাম ১৫০-২০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছায় বলে অভিযোগ করেন সানি।
- 📌 নাজমুল হুদা মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন, কর্মীরা কালোবাজারির লোকদের টিকিট বিক্রির চাপ দিচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ঘটনাটি ঘটে। তিতাস কমিউটার ট্রেনের বুকিং ক্লার্ক কাউসার হোসেনকে ফোনে দুটি টিকিট চান সানি। তিনি বলেন, দুজন লোক পাঠাবেন টিকিট নিতে। কিন্তু কাউন্টার বন্ধ থাকায় টিকিট দেওয়া সম্ভব না বলে ফোন রেখে দেন কাউসার। এরপর সানি স্টেশনে এসে কাউন্টার থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে চড়থাপ্পড় মারেন কাউসারকে। এগিয়ে গিয়ে ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন আহমেদকেও চড় মারেন তিনি।
মহিউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, “বেলা সাড়ে ১১টায় সানি ভাই আমাকে ডেকে বাইরে নিয়ে চড় মারেন। তিনি বলেন, ‘ফোন ধরিস না কেন’। স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে যান। নিরাপত্তাহীনতায় আমরা কাউন্টার বন্ধ রাখি।” তিনি আরও জানান, সানি প্রায়ই লোক পাঠিয়ে টিকিট নেন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে তিতাস কমিউটারের এজেন্টশিপ পেতে চেষ্টা করছেন।
সানি মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, কমিউটার ট্রেনের কর্মীরা কালোবাজারির লোকদের টিকিট বিক্রির চাপ দিচ্ছে। তিনি বলেন, “৭৫ টাকার টিকিট বাইরে ১৫০ টাকা করে বিক্রি হয়, আর কালোবাজারিতে ২০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছায়। আমরা কাউন্টার বন্ধ করে দিয়েছি কারণ তারা চাপ দিচ্ছে।” মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা বেশি দামে টিকিট বিক্রি করি না, অভিযোগ সত্য নয়। বিষয়টি বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ করেছি।”
"ফোন ধরিস না কেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমুল হুদা (যুবদল নেতা), মহিউদ্দিন আহমেদ (টিকিট কাউন্টার ব্যবস্থাপক), কাউসার হোসেন (বুকিং ক্লার্ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ টাকা (টিকিট মূল্য), ১৫০-২০০ টাকা (কালোবাজারিতে টিকিটের দাম), ২ ঘণ্টা (কাউন্টার বন্ধ সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!