📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মুঠোফোনে লুডু খেলার উত্তেজনা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়। রফিক মিয়া (৪০) নামের যুবককে মারধর করে মারা যায়। ঘটনাস্থলে কোনো আঘাতের চিহ্ন না পেলেও ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মুঠোফোনে লুডু খেলার উত্তেজনা থেকে মারধরে মারা যান এক যুবক। রোববার সন্ধ্যায় গুনিয়াউক ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামে ঘটে এই ঘটনা। নিহত রফিক মিয়া (৪০) ছিলেন দিনমজুর। তার মা-বাবা উভয়েই মৃত্যুবরণ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রফিক মিয়া (৪০) মুঠোফোনে লুডু খেলার উত্তেজনা থেকে মারধরে মারা যান
- 📌 সালমান মিয়া ও বশির আহমেদ রফিককে শ্বাসরোধ করে কিলঘুষি মারেন
- 📌 নিহতের চাচাতো ভাই জিলু মিয়া বলেন, রফিক তাদের ‘চাল’ ভুল দেখিয়ে দিয়েছিলেন
- 📌 মরদেহে আঘাতের চিহ্ন না পেলেও ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
- 📌 নাসিরনগর থানার ওসি শাহিনুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে গাছ-কাঠ ছিল, যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে
📰 বিস্তারিত
রোববার সন্ধ্যায় নিশ্চিন্তপুর গ্রামের শহিদ মাস্টারের বাগানবাড়িতে সালমান মিয়া ও বশির আহমেদ মুঠোফোনে লুডু খেলছিলেন। সেখানে গিয়ে রফিক মিয়া তাদের খেলা দেখতে শুরু করেন। রফিক হঠাৎ বলে ওঠেন যে, তাদের ‘চাল’ ভুল হচ্ছে। এ কথা শুনে সালমান ও বশির উত্তেজিত হয়ে যান এবং রফিককে কথা বলতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। স্থানীয় মাহফুজ মিয়া ও ধলু মিয়া তাদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও পাঁচ মিনিট পর সালমান ক্ষিপ্ত হয়ে রফিক মিয়ার গলা চেপে ধরেন। এরপর শ্বাসরোধের পাশাপাশি কিলঘুষি মারেন। রফিক মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, যেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
নিহত রফিকের চাচাতো ভাই জিলু মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘বশির ও সালমান মুঠোফোনে লুডু খেলছিল। খেলা চলাকালে রফিক তাদের ভুল ধরিয়ে দেয়। পরে উত্তেজিত হয়ে তারা রফিককে মারধর করে। এরপরই রফিক মারা যায়।’ ঘটনাস্থলে সালমান ও বশিরের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। নাসিরনগর থানার ওসি শাহিনুল ইসলাম জানান, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, তবে কিলঘুষির চিহ্ন আছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওসি বলেন, ঘটনাস্থলে গাছ ও কাঠ ছিল, যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।
"বশির ও সালমান মুঠোফোনে লুডু খেলছিল। খেলা চলাকালে রফিক তাদের ভুল ধরিয়ে দেয়। পরে উত্তেজিত হয়ে তারা রফিককে মারধর করে। এরপরই রফিক মারা যায়।"("জিলু মিয়া, রফিক মিয়ার চাচাতো ভাই")
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিশ্চিন্তপুর গ্রাম, গুনিয়াউক ইউনিয়ন, নাসিরনগর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রফিক মিয়া (৪০), সালমান মিয়া, বশির আহমেদ, জিলু মিয়া, ওসি শাহিনুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ (রফিক মিয়ার বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!