📌 ভোলার মেঘনা নদীতে আড়াই কেজি ওজনের একটি ‘রাজা ইলিশ’ ধরা পড়েছে। প্রথমে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও ঢাকার ক্রেতা মুঠোফোনে যোগাযোগ করে ২০ হাজার টাকায় কিনে নেন। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, মৌসুমের শেষে বড় ইলিশ ধরা পড়া ইতিবাচক সংকেত।
ভোলার মেঘনা নদীতে আড়াই কেজি ওজনের একটি ‘রাজা ইলিশ’ ধরা পড়ায় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। মনপুরা উপজেলার রামনেওয়াজ মৎস্যঘাটে আনা এই মাছটি প্রথমে নিলামে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও, পরে ঢাকার এক ক্রেতা মুঠোফোনে যোগাযোগ করে ২০ হাজার টাকায় কিনে নেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলার মেঘনা নদীতে আড়াই কেজি ওজনের ‘রাজা ইলিশ’ ধরা পড়েছে — প্রথমে ১৫ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি, পরে ২০ হাজার টাকায় ঢাকার ক্রেতা কিনে নেন
- 📌 গত শুক্রবার ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা তালতলি মৎস্যঘাটেও আড়াই কেজি ওজনের ‘রাজা ইলিশ’ ধরা পড়েছিল, যা নিলামে ১২ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হলেও পরদিন ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়
- 📌 ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হুসাইন বলেন, মৌসুমের শেষে বড় ইলিশ ধরা পড়া ইতিবাচক লক্ষণ
- 📌 মেঘনা নদীতে এখনো কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ না মিললেও জেলেরা গভীর সাগর মোহনায় মাছ ধরতে যাচ্ছেন
- 📌 জেলে এমরান মাঝি (৪৩) জানান, সকালে মেঘনা নদীতে জাল তোলার সময় বড় আকৃতির ইলিশ মাছটি ধরা পড়ে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্যঘাটে জেলে এমরান মাঝি (৪৩) মাছটি নিয়ে আসেন। তিনি জানান, সকালে মেঘনা নদীতে জাল তোলার সময় অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে বড় আকৃতির এই মাছটি ধরা পড়ে। পরে ফরহাদ হাওলাদারের আড়তে নিলামে সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি কিনে নেন ব্যবসায়ী শাওন হাওলাদার। মৎস্য ব্যবসায়ী মো. মাইনউদ্দিন বলেন, নিলামে মাছটি শাওন হাওলাদার ১৫ হাজার টাকায় কেনার পরে ঢাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী দরদামে অংশ নেন। পরে ঢাকার এক ক্রেতা মুঠোফোনে যোগাযোগ করে মাছটি ২০ হাজার টাকায় কিনে নেন।
শাওন হাওলাদার বলেন, ‘আমি নিলাম থেকে মাছটি ১৫ হাজার টাকায় কিনেছি। পরে ব্যক্তিগতভাবে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। ক্রেতার পরিচয় প্রকাশ করতে চাই না।’ ইলিশা তালতলি মৎস্যঘাটের আড়তদার নাগর হাজারি বলেন, চলতি মৌসুমে এত বড় ইলিশ খুব কমই দেখা গেছে। স্থানীয়ভাবে এটিকে মৌসুমের অন্যতম বড় ইলিশ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হুসাইন প্রথম আলোকে বলেন, আড়াই কেজি ওজনের এই ইলিশের বয়স আনুমানিক দুই থেকে আড়াই বছর হতে পারে। সামনে ডিম ছাড়ার মৌসুম হওয়ায় বড় ইলিশ নদীমুখী হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মেঘনা নদীতে এখনো কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ মিলছে না। ফলে জীবিকার তাগিদে অনেক জেলে গভীর সাগর মোহনায় মাছ ধরতে যাচ্ছেন। সেখানে মাছের সম্ভাবনা থাকলেও বৈরী আবহাওয়া, দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও উচ্চ ব্যয়ের কারণে প্রতিটি যাত্রাই অনিশ্চয়তায় ভরা।
"আমি নিলাম থেকে মাছটি ১৫ হাজার টাকায় কিনেছি। পরে ব্যক্তিগতভাবে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। ক্রেতার পরিচয় প্রকাশ করতে চাই না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মনপুরা উপজেলা, ভোলা; মেঘনা নদী, ভোলা সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ দেলোয়ার হুসাইন (ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা), এমরান মাঝি (৪৩), শাওন হাওলাদার, মো. মাইনউদ্দিন, নাগর হাজারি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার টাকা, ১৫ হাজার টাকা, ১২ হাজার ৯০০ টাকা, ৪৩ বছর, ৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!