📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আনোয়ারায় ইউপি সদস্যের পরিবারের ৫ জনের সরকারি ভাতা

আনোয়ারায় ইউপি সদস্যের পরিবারের ৫ জনের সরকারি ভাতা

📷 Daily Naya Diganta

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে নিজ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে বিধবা, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃত উপকারভোগীদের বাদ দিয়ে স্বজনদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নয় নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: মুনির উদ্দিনের বিরুদ্ধে নিজ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে বিধবা, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃত উপকারভোগীদের বাদ দিয়ে ইউপি সদস্যের পরিবারের সদস্যদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে।

🔴 মূল অভিযোগ

  • 📌 ইউপি সদস্য মো: মুনির উদ্দিনের পরিবারের পাঁচ সদস্য বিধবা, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন
  • 📌 ইউপি সদস্যের বোন সাবরিনা আক্তার পিংকি বিধবা ভাতা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ
  • 📌 ইউপি সদস্যের ছেলে ও ভাতিজা প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ
  • 📌 ইউপি সদস্যের বাবা ও মা যথাক্রমে প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নয় নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: মুনির উদ্দিনের বিরুদ্ধে নিজ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে বিধবা, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃত উপকারভোগীদের বাদ দিয়ে ইউপি সদস্যের পরিবারের সদস্যদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। নয় নম্বর ওয়ার্ডের বিধবা, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতাভোগীদের তালিকা পুনরায় যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ইউপি সদস্যের বোন সাবরিনা আক্তার পিংকির নামে বিধবা ভাতার এমআইএস নম্বর রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। স্থানীয়দের দাবি, তিনি বিধবা নন। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি একই ইউনিয়নের আট নম্বর ওয়ার্ডের আবু লোকমানের সাথে তার বিয়ে হয়। ইউপি সদস্য দাবি করেছেন, তার বোনের ডিভোর্স হয়েছে এবং তৎকালীন এসিল্যান্ড ও রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের সাথে আলোচনা করেই তাকে বিধবা ভাতার আওতায় আনা হয়েছে।

ইউপি সদস্যের ছেলে মোহাম্মদ আবরার বিন মুনির ও ভাতিজা হাসান বিন আলমের নামে প্রতিবন্ধী ভাতার এমআইএস নম্বর রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। স্থানীয়দের দাবি, তারা প্রতিবন্ধী নন। ইউপি সদস্যের বাবা মো: শামসুল আলমের নামে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড এবং তার মা তাহেরা বেগমের নামে বয়স্ক ভাতার এমআইএস নম্বর রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

"আমার বোনের ডিভোর্স হয়েছে। তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের সাথে পরিষদে আলোচনা করেই তাকে বিধবা ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আনোয়ারা, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউপি সদস্য মো: মুনির উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন পরিবারের সদস্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖