📌 কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী ইশায়াত শাহরিয়ার (অপ্রতিম) হত্যাকাণ্ডে চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সন্দেহভাজন মো. সিয়ামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। দু’জন কিশোর (১৫ ও ১৬ বছর) স্বীকারোক্তি দিয়েছে। সিয়াম হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানলেও গোপন রাখার কারণে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়
কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার (অপ্রতিম) হত্যাকাণ্ডে চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে সন্দেহভাজন মো. সিয়াম (১৯)কে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। দু’জন কিশোর (১৫ ও ১৬ বছর) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিয়াম সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেননি, কিন্তু ঘটনার বিস্তারিত জানার পরও তা গোপন রাখার কারণে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডে চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে সন্দেহভাজন মো. সিয়ামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে
- 📌 দু’জন কিশোর (১৫ ও ১৬ বছর) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং তাদের গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে
- 📌 প্রধান আসামি সাইফুল ইসলাম (তুহিন, ১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রয়েছে
- 📌 সিয়াম হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানলেও গোপন রাখার কারণে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়
- 📌 অপ্রতিমের মরদেহ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লা জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান প্রথম আলোকে জানান, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত দু’জন কিশোরকে আদালতের আদেশ অনুযায়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে। তাদের গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তবে কখন তাদের সেখানে পাঠানো হবে তা কারা কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ নিশ্চিত করেনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দু’জন কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য আদালত অনুমতি দিয়েছেন। বাকি দু’জন আসামি কুমিল্লা কারাগারে থাকবেন।
সন্দেহভাজন মো. সিয়ামের বাড়ি কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার সূধন্যপুর (নোয়াবাড়ি) এলাকায়। জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, সিয়ামকে আটক করা হয়েছিল কারণ হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা সাইফুল ইসলাম (তুহিন) শুক্রবার রাতে সিয়ামের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা আড্ডা দিয়েছিলেন। তুহিন সিয়ামকে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানিয়েছিলেন, কিন্তু সিয়াম তা গোপন রাখেন।
গত শুক্রবার কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতী এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরদিন শনিবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
"হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত দু’জন কিশোরকে আদালতের আদেশ অনুযায়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে। তাদের গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"
"সিয়াম সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেননি, কিন্তু ঘটনার বিস্তারিত জানার পরও তা গোপন রাখার কারণে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানা, গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র, কুমিল্লা কারাগার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সিয়াম (১৯), সাইফুল ইসলাম (তুহিন, ১৯), দু’জন কিশোর (১৫ ও ১৬ বছর), মো. লুৎফর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম (এসআই)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর (অপ্রতিমের বয়স), ১৫ ও ১৬ বছর (দু’জন কিশোরের বয়স), ১৯ বছর (সিয়াম ও তুহিনের বয়স), ১১ টা (রাত সাড়ে ১১টা), ৯ টা (রাত ৯টা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!