📌 ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ দ্রুত গঠনের দাবি জানিয়েছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম। সাত দফা দাবি পূরণ না হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি। দাবিগুলোতে রয়েছে পরিচালনা পর্ষদ গঠন, মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া, লুটপাটের বিচার ও গ্রাহকদের আতঙ্ক দূরীকরণ
ঢাকায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ দ্রুত গঠনের দাবি জানিয়েছে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’। সংগঠনটি সাত দফা দাবি পূরণ না হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক মোহাম্মদ জহির হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ফোরামের নেতারা এসব দাবি তুলে ধরেন। আলোচনায় পরিচালনা পর্ষদ গঠন, এস আলম গ্রুপের শেয়ার বাজেয়াপ্তকরণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সাত দফা দাবি: পরিচালনা পর্ষদ গঠন, মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া, লুটপাটের বিচার ও গ্রাহকদের আতঙ্ক দূরীকরণ
- 📌 প্রশাসক মোহাম্মদ জহির হোসেন দাবিগুলো সমাধানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান
- 📌 দাবি পূরণ না হলে গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বিরুদ্ধে আন্দোলনে যাবেন
- 📌 এস আলম গ্রুপের শেয়ার বাজেয়াপ্ত মামলায় আইনজীবী পরিবর্তনের আশঙ্কা উঠেছে
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রোববার বিকেলে ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক মোহাম্মদ জহির হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ফোরামের নেতারা তাদের দাবি তুলে ধরেন। এ সময় পরিচালনা পর্ষদ গঠন, এস আলম গ্রুপের শেয়ার বাজেয়াপ্তকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। ফোরামের নেতারা জানান, প্রশাসক মোহাম্মদ জহির হোসেন তাদের উত্থাপিত সমস্যাগুলোর সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যাগুলো সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুর নবী মানিক বলেন, অন্য ব্যাংকের মতো ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। তিনি দাবি করেন, একটি বৃহৎ ব্যাংক দীর্ঘদিন পরিচালনা পর্ষদ ছাড়া শুধু প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে না। এছাড়া, তিনি বলেন, এস আলম গ্রুপের শেয়ার বাজেয়াপ্ত মামলাটি শেষ পর্যায়ে এসে আইনজীবী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর ফলে ইসলামী ব্যাংক মামলাটি থেকে সরে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফোরামের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সৎ, যোগ্য, অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠন; ২০১৭ সালে ব্যাংকের মালিকানা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে প্রকৃত ও আদি মালিকদের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া; ব্যাংক থেকে অর্থ লুটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন; বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে এনে ব্যাংকের দায় পরিশোধের ব্যবস্থা; সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ব্যাংকের দেনা পরিশোধ; গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক দূরীকরণ ও ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংককে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকতে হবে; এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বন্ধের দাবি।
"অন্য ব্যাংকের মতো ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। একটি বৃহৎ ব্যাংক দীর্ঘদিন পরিচালনা পর্ষদ ছাড়া শুধু প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক নুর নবী মানিক (ফোরামের আহ্বায়ক), মোহাম্মদ জহির হোসেন (প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ সেপ্টেম্বর (সাক্ষাতের তারিখ), ৭ দফা (দাবি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!