📌 ডাচ-বাংলা ব্যাংকের দনিয়া শাখা থেকে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নারগিস আক্তার মামলা দায়ের করেন। আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। আসামিদের মধ্যে রয়েছে ব্যাংকের কর্মকর্তা ও গ্লোবাল গোল্ডেন জুট অ্যান্ড ক্র্যাফট লিমিটেডের পরিচালকরা
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের দনিয়া শাখা থেকে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নারগিস আক্তার আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এই মামলায় ব্যাংকের চার কর্মকর্তা ও গ্লোবাল গোল্ডেন জুট অ্যান্ড ক্র্যাফট লিমিটেডের পাঁচজন পরিচালকসহ মোট ৯ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাত: ডাচ-বাংলা ব্যাংকের দনিয়া শাখা থেকে নারগিস আক্তারের ১ কোটি ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৩১৯ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
- 📌 ৯ আসামি: ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহিত মোরশেদ, অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার সৌরভ সাহা, রেমিট্যান্স অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. গোলাম কিবরিয়া, গ্লোবাল গোল্ডেন জুট অ্যান্ড ক্র্যাফট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাকিম আলী সরদার, ম্যানেজার কাজী এনামুল কবির ও শওকত হাসানসহ আসামি করা হয়েছে।
- 📌 প্রতারণামূলক চেক: ১৭ সেপ্টেম্বর বাদী ৫ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে কর্মকর্তারা জাল চেক ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে ৮৫ লাখ টাকা পাচার করেন।
- 📌 পিবিআই তদন্ত: মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
নারগিস আক্তার, একজন নিরক্ষর গৃহিণী, তাঁর জমি, গাড়ি বিক্রি ও ভাড়ার সঞ্চিত অর্থ ১ কোটি ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৩১৯ টাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংকের দনিয়া শাখায় জমা রাখেন। ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাঁকে চেক পূরণ ও টাকা জমার কাজে সহযোগিতা করতেন। ১৭ সেপ্টেম্বর বাদী ৫ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে কর্মকর্তারা প্রতারণামূলকভাবে একটি অতিরিক্ত চেক ও ডিপিএস খোলার কথা বলে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। পরে ৪ অক্টোবর বাদী অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স জানতে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর হিসাবে মাত্র ৩ লাখ ৩৫ হাজার ২০৪ টাকা রয়েছে।
বাদী নারগিস আক্তার অভিযোগ করেন, ২৩ সেপ্টেম্বর ব্যাংক কর্মকর্তা মোহিত মোরশেদ জানান যে, গ্লোবাল গোল্ডেন জুট অ্যান্ড ক্র্যাফট লিমিটেডের অ্যাকাউন্টে ৮৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর ব্যাংকে যাননি এবং কোনো চেক দেননি। কর্মকর্তারা প্রতারণামূলকভাবে জাল স্বাক্ষর ও টাকার পরিমাণ বসিয়ে পজিটিভ পে ফরম তৈরি করে পূবালী ব্যাংকের রাজবাড়ী শাখায় স্থানান্তর করেন। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর শওকত হাসান পূবালী ব্যাংকের শাখা থেকে ৮৫ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন।
বাদী উল্লেখ করেন, তিনি কোনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন এবং ১ সেপ্টেম্বর খোলা ভুয়া কোম্পানির অ্যাকাউন্টে প্রতারণামূলকভাবে ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সহায়তায় এই অর্থ পাচার করা হয়েছে।
"আমি কোনো ব্যবসায় জড়িত নই, কিন্তু কর্মকর্তারা প্রতারণামূলকভাবে আমার স্বাক্ষর ও চেক ব্যবহার করে এই অর্থ পাচার করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, ডাচ-বাংলা ব্যাংক দনিয়া শাখা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নারগিস আক্তার, মোহিত মোরশেদ, সৌরভ সাহা, মো. রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন, হাকিম আলী সরদার, কাজী এনামুল কবির, শওকত হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫ লাখ টাকা, ৯ আসামি, ১ কোটি ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৩১৯ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!