📌 বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই (বাচ্চু) আটলান্টিকের ওপারে কানাডায় আশ্রয় নিয়ে আত্মগোপনে থাকেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে প্রমাণিত দুর্নীতির অভিযোগের মুখে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও, ৬৬টি দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান থাকা সময়ে ব্যাংকটিকে ‘খারাপ ব্যাংক’তে পরিণত করার অভিযোগে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাদেরও দায়ী করেন
বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই (বাচ্চু) আটলান্টিকের ওপারে কানাডায় আশ্রয় নিয়ে আত্মগোপনে থাকেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে প্রমাণিত দুর্নীতির অভিযোগের মুখে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও, ৬৬টি দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান থাকা সময়ে ব্যাংকটিকে ‘খারাপ ব্যাংক’তে পরিণত করার অভিযোগে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাদেরও দায়ী করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৬৬টি দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত** সাবেক বেসিক ব্যাংক চেয়ারম্যান আবদুল হাই (বাচ্চু) আটলান্টিকের ওপারে কানাডায় আশ্রয় নিয়ে আত্মগোপনে থাকেন।
- 📌 **ব্যাংকটিকে ‘খারাপ ব্যাংক’তে পরিণত** করার অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে প্রমাণিত দুর্নীতির অভিযোগের মুখে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও, ২০০৯-২০১৪ সময়কালে ব্যাংকটিতে **সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা** অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়।
- 📌 **রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা** ব্যাংকটিকে সহায়তা হিসেবে দেওয়া হলেও, ব্যাংকটি সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
- 📌 **আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাদেরও দায়ী** করেন আবদুল হাই। তিনি বলেন, ‘আমাকে ফাঁসাইও না’।
- 📌 **২০২৩ সালে দেশ ছাড়েন** আবদুল হাই। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি কানাডায় আশ্রয় নেন।
📰 বিস্তারিত
বেসিক ব্যাংক (বর্তমানে বেসিক ব্যাংক লিমিটেড) ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই ব্যাংক ছিল ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের কাছে এক নির্ভরতার নাম। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ কখনোই ৩-৪ শতাংশের বেশি হয়নি। কিন্তু শেখ আবদুল হাই চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে ব্যাংকটি একটি দুর্নীতির কেন্দ্রে পরিণত হয়।
আবদুল হাই ২০০৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জুলাই পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন। এই সময়ে ব্যাংকটিতে **সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা** অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে পরে **৩ হাজার কোটি টাকা** ব্যাংকটিকে সহায়তা হিসেবে দেওয়া হলেও, ব্যাংকটি সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
আবদুল হাই নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও, বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাকে ফাঁসাইও না’। তিনি আরও দাবি করেন যে, বেসিক ব্যাংক থেকে অনিয়ম করে ঋণ তিনি একা দেননি, তখনকার আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাও দায়ী।
আবদুল হাই বলেন, ‘আমি বলির পাঁঠা’। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অন্তত ৬৬টি মামলায় অভিযুক্ত। তবে তিনি এখন কোথায়? দুদক বলছে, আবদুল হাই দেশেই আছেন। তবে খবর পাওয়া গেছে, তিনি আছেন কানাডায়, সপরিবার।
আবদুল হাই বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক ছিল না, এখনো নেই। শেখ হাসিনা আমাকে দেখতে পারতেন না। কারণ, আমি ছিলাম জাতীয় পার্টির লোক’। তিনি আরও বলেন, ‘সেনাপ্রধানের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। বিভিন্ন বিষয়েই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ হতো। এই যোগাযোগকে কাজে লাগিয়েছি’।
"আমাকে ফাঁসাইও না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বেসিক ব্যাংক সদর দপ্তর), কানাডা (আবদুল হাইয়ের আশ্রয়স্থল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ আবদুল হাই (বাচ্চু), সাবেক বেসিক ব্যাংক চেয়ারম্যান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬টি দুর্নীতি মামলা, সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা অনিয়ম, ৩ হাজার কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় সহায়তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!