📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাবনার ঈশ্বরদীতে ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকার বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

পাবনার ঈশ্বরদীতে ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকার বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকায় নির্মিত হচ্ছে মিরকামারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা একাডেমিক ভবন। নির্মাণে নিম্নমানের ইট ও বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও প্রকৌশলীরা দাবি করছেন, রাজনৈতিক চাপের কারণে নির্মাণ মান বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ৩ কোটি ৮১ লাখ ৪১ হাজার ৮৮৫ টাকায় নির্মিত হচ্ছে মিরকামারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা একাডেমিক ভবন। নির্মাণকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পরিবেশকে বিপন্ন করছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীরা এই অনিয়মের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরকামারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকার চারতলা ভবন নির্মাণে নিম্নমানের ইট ও বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘বসুন্ধারা হাউস বিল্ডার্স’ ও প্রকৌশলীরা দাবি করছেন, রাজনৈতিক চাপের কারণে নির্মাণ মান বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
  • 📌 শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী সাকিব রেজা বলেছেন, রাজনৈতিক চাপের কারণে নির্মাণ তদারকি যথাযথভাবে সম্ভব হচ্ছে না।
  • 📌 বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি জহুরুল ইসলাম জানান, অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে পরিদর্শন করে নির্মাণ মান যাচাই করতে পারেন।
  • 📌 শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা দাবি করছেন, নির্মাণে ওঠা অনিয়মের তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

📰 বিস্তারিত

১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত মিরকামারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পরিবেশ উন্নত করার লক্ষ্যে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ৩ কোটি ৮১ লাখ ৪১ হাজার ৮৮৫ টাকায় চারতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘বসুন্ধারা হাউস বিল্ডার্স’। নির্মাণকাজ তদারকির জন্য শিক্ষক ও এলাকাবাসীদের সমন্বয়ে ১৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা নির্মাণের শুরু থেকেই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সহকারী ম্যানেজার আরিফ ও ঠিকাদার মাজহারুল ইসলাম স্বীকার করেছেন যে, স্থানীয় রাজনৈতিক চাপের কারণে নির্মাণকাজের মান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা দাবি করেন, ইউপি সদস্য ওহিদুজ্জামান ও পাবনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য রাসেল হোসেনের মাধ্যমে নিম্নমানের ইট ও বালু সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী সাকিব রেজা বলেছেন, রাজনৈতিক চাপের কারণে নির্মাণ তদারকি যথাযথভাবে সম্ভব হচ্ছে না।

বিরোধের জেরে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন ইউপি সদস্য ওহিদুজ্জামান ও ছাত্রদল নেতা রাসেল হোসেন। তারা দাবি করেছেন যে, উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে ভালো মানের নির্মাণসামগ্রী দিয়েই কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি জহুরুল ইসলাম জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কখনোই এ ধরনের প্রতিবন্ধকতার কথা তাকে জানায়নি। তিনি বলেছেন, নির্মাণসামগ্রীর মান সম্পর্কে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরই সর্বোত্তমভাবে মূল্যায়ন করতে পারবে।

"নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করলেও, প্রকৌশলীরা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে তদারকি সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরকামারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ঈশ্বরদী, পাবনা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মন্নিকা পারভীন (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক), আরিফ (ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সহকারী ম্যানেজার), মাজহারুল ইসলাম (ঠিকাদার), সাকিব রেজা (শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী), জহুরুল ইসলাম (পরিচালনা কমিটির সভাপতি), ওহিদুজ্জামান (ইউপি সদস্য), রাসেল হোসেন (পাবনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ কোটি ৮১ লাখ ৪১ হাজার ৮৮৫ টাকা (নির্মাণ ব্যয়), ১৪ সদস্যের কমিটি (তদারকি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖