📌 বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালু করার নির্দেশ দিয়েছে। এই সুবিধায় গ্রাহকরা সুদ ছাড়াই নির্ধারিত ফি দিয়ে ডিজিটালভাবে বিল পরিশোধ করতে পারবেন। পাইলট পর্যায়ে ছয় মাস পর বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে
বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল লেনদেনকে আরো সহজ ও প্রসারিত করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালু করার নির্দেশ জারি করেছে। এই নতুন ব্যবস্থায় গ্রাহকরা সুদ ছাড়াই নির্ধারিত ফি দিয়ে ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা-স্বাস্থ্য খরচসহ বিভিন্ন সরকারি ফি ও সেবার বিল পরিশোধ করতে পারবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালু করার নির্দেশ দিয়েছে
- 📌 সুদ ছাড়াই নির্ধারিত ফি দিয়ে ডিজিটালভাবে বিল পরিশোধের সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা
- 📌 ৫০ থেকে ২৫০ টাকা ঋণে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ টাকা ফি, ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা ফি
- 📌 ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা ঋণে ৩০ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ১৩০ টাকা ফি
- 📌 ঋণ পরিশোধে দেরি হলে দৈনিক জরিমানা বা ফি আরোপ করা যাবে
- 📌 পাইলট পর্যায়ে ছয় মাস পর বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে
- 📌 গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ও নিরাপদ যাচাইকরণ পদ্ধতি প্রয়োজন
📰 বিস্তারিত
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) — বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে জারি করা সার্কুলারে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সুবিধার আওতায় গ্রাহকরা ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ফি, টোল ও টিকিটের খরচ, করসহ বিভিন্ন সরকারি ফি, আমানতের কিস্তি, বীমার প্রিমিয়াম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত অন্যান্য খরচের বিল পরিশোধ করতে পারবেন।
সার্কুলারে ঋণের পরিমাণ ও মেয়াদ ভেদে নির্ধারিত ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে ৭ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা ফি নেওয়া যাবে। অন্যদিকে, ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে ৩০ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ১৩০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ঋণের মূল অর্থ ও ফি যথাক্রমে অষ্টম, ১৬তম অথবা ৩১তম দিনে সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে হবে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, ঋণ অনুমোদনের আগে গ্রাহককে ঋণের ধরন, পরিমাণ, ফি, মেয়াদ ও পরিশোধ পদ্ধতিসহ গুরুত্বপূর্ণ সব শর্ত জানাতে হবে। পাশাপাশি, গ্রাহকের আর্থিক সচেতনতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্যাংকগুলোকে বিকল্প ডিজিটাল ক্রেডিট স্কোরিং মডেল ব্যবহার এবং ঝুঁকিভিত্তিক ঋণসীমা নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া, গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে ডিজিটাল অনবোর্ডিং সম্পন্ন করতে হবে এবং ওটিপি, দুই স্তরের যাচাইকরণ বা মাল্টিফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।
"ঋণ অনুমোদনের আগে গ্রাহককে ঋণের ধরন, পরিমাণ, ফি, মেয়াদ ও পরিশোধ পদ্ধতিসহ গুরুত্বপূর্ণ সব শর্ত জানাতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার টাকা (সর্বোচ্চ ঋণ), ৬ মাস (পাইলট পর্যায়), ৩ টাকা (সর্বনিম্ন ফি), ১৩০ টাকা (সর্বোচ্চ ফি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!