📌 বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পকে উচ্চমূল্য সংযোজনভিত্তিক খাতে রূপান্তরে দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে কোটরা। কৃত্রিম তন্তু, ফাংশনাল টেক্সটাইল ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতিতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেছেন সংস্থাটির ঢাকার উপ-পরিচালক লি সুং-হুন
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পকে উচ্চমূল্য সংযোজনভিত্তিক খাতে উন্নীত করতে দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে কোরিয়া ট্রেড-ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সি (কোটরা)। সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কোটরার ঢাকার উপ-পরিচালক লি সুং-হুন (ড্যানিয়েল লি) এ তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের পোশাক খাত দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৪ শতাংশ এবং জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশ বহন করছে।
- 📌 দেশটির পোশাক শিল্পে গড় মূল্য সংযোজনের হার প্রায় ৩০ শতাংশ।
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়া কৃত্রিম তন্তু, ফাংশনাল ও টেকনিক্যাল টেক্সটাইল উৎপাদনে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রয়েছে।
- 📌 কোটরার কর্মকর্তা লি সুং-হুন জানান, স্বয়ংক্রিয় কাটিং ও সেলাই ব্যবস্থা, গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ এবং আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পকে উচ্চমূল্য সংযোজনভিত্তিক খাতে রূপান্তরে দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে কোরিয়া ট্রেড-ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সি (কোটরা)। এ জন্য কৃত্রিম তন্তু (ম্যান-মেড ফাইবার), ফাংশনাল ও টেকনিক্যাল টেক্সটাইল, স্বয়ংক্রিয় সেলাই যন্ত্রপাতি এবং গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ খাতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়াতে চায় তারা।
কোটরার ঢাকার উপ-পরিচালক লি সুং-হুন (ড্যানিয়েল লি) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নত প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের রূপান্তর কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি জানান, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৪ শতাংশ এবং মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১০ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করছে।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, এ খাত এখনো মূলত প্রাকৃতিক তন্তুনির্ভর এবং গড় মূল্য সংযোজনের হার প্রায় ৩০ শতাংশ। লি বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের মূল্য শৃঙ্খলে আরও উপরে ওঠার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
"বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে শুধু পরিমাণভিত্তিক উৎপাদন থেকে উচ্চমূল্য সংযোজনকারী শিল্পে পরিণত করতে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এখন শুধু সাধারণ পোশাক নয়, ফাংশনাল ফ্যাব্রিক, পারফরম্যান্স ওয়্যার এবং টেকসই উৎপাদন প্রক্রিয়ায় তৈরি পণ্যের চাহিদা বাড়ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লি সুং-হুন (ড্যানিয়েল লি), কোটরার উপ-পরিচালক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৪ শতাংশ (রপ্তানি), ১০ শতাংশ (জিডিপি), ৩০ শতাংশ (মূল্য সংযোজন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!